বকেয়া DA-র টাকা মিললেও পকেট ফুটো দশা! সরকারি কর্মীদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে

Published on:

Published on:

dearness allowance(141)
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পঞ্চম পে কমিশনের ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে ফের নতুন করে শুরু হয়েছে চর্চা। সম্প্রতি অর্থ দপ্তরের জারি করা এক নতুন বিজ্ঞপ্তি ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মতো এই বকেয়া অর্থ ধীরে ধীরে মিটিয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই বিষয়ে সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।

সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের (গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির) পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএর পুরো অংশ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ড ফান্ডে বা জিপিএফে জমা করা হবে। তবে বলা হয়েছে এই তহবিল থেকে টাকা তোলার সময় আয়কর খাতে টাকা কাটা হবে।

বকেয়া ডিএ-র টাকা নিয়ে আশঙ্কা কর্মী মহলে | Dearness Allowance

বকেয়া ডিএর দ্বিতীয় কিস্তি প্রদানের বিজ্ঞপ্তিতে আয়কর খাতে টাকা কাটার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে রাজ্য তরফে। অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ভুলবশত কোনো কর্মচারীকে বেশি টাকা দেওয়া হয়ে থাকলে সেটিও টাকা তোলার সময় হিসাব মাফিক বাদ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, মোট দুটি কিস্তিতে বকেয়া ডিএর টাকা রাজ্য সরকারি কর্মী ও আধিকারিকদের জিপিএফ তহবিলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ২০১৬-র জানুয়ারি থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের অংশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে এই একইভাবে ২০০৮-এর এপ্রিল থেকে ২০১৫-র ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়াও জিপিএফ অর্থাৎ জেনারেল প্রভিডেন্ড ফান্ডে দেওয়া হবে।

অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ স্যালারি অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। বাকিরা কর্মরত থাকলে দুটি ক্ষেত্রেই ২০২৮-এর এপ্রিল পর্যন্ত জমা পড়া এই বকেয়ার টাকা GPF থেকে তুলে নেওয়া যাবে না। এই বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে, যে আয়কর খাতে কত টাকা কাটা হবে, টাকা প্রদানের আগেই ডিডিও তার হিসাব করে নেবেন। তবে কী পদ্ধতি অবলম্বন করে হবে, তা অবশ্য বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি।

dearness allowance(313)

আরও পড়ুন: ‘চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যান’! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় CBI-এর সিট ভাঙার আবেদনে সিদ্ধান্ত নিল না হাইকোর্ট

এই বিষয়ে কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, আয়কর কাটা নিয়ে তাঁদের মতামত নেই। তবে ওভারড্রলের যুক্তি দেখিয়ে টাকা কাটার বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি। তার দাবি, সবর্ভারতীয় মূল্য সূচক (AICPI) অনুযায়ী বকেয়া ডিএর হিসাব করেনি সরকার। সেই কারণে কম টাকা পাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা। তিনি জানিয়েছেন, গোটা বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত মালহোত্রা কমিটির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। কমিটি তার রিপোর্ট পেশ করবে।