বাংলাহান্ট ডেস্ক: মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে জট কলকাতা পুরসভায় (Kolkata Municipal Corporation)! টানা ২০ দিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে সেন্ট্রাল সার্ভার। ফলত নাগরিক পরিষেবা এখনও অচল। সার্ভারের সমস্যায় ‘ই-কেএমসি ২.০’ পোর্টাল বন্ধ। যার কারণে ‘আপটুডেট’ বেতন কাঠামো পাননি পুরসভার স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা।
ডিএ নিয়ে সংশয় পুরকর্মীদের মধ্যে | Dearness Allowance
সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে ব্যাঙ্কে জমা থাকা পুরকর্মীদের পুরানো তালিকা অনুযায়ী স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন দিয়েছে পুরসভা। তবে এর মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁদের প্রোমোশনের জন্য এরিয়ার বেড়েছে। কিন্তু পোর্টাল সমস্যার জেরে বাড়তি কোনো টাকাই পাননি তারা। গত মাসের তালিকা অনুযায়ীই মিলেছে বেতন।
বেতন নিয়ে সমস্যায় আশঙ্কা তৈরি হয়েছে চলতি মাসের বর্ধিত ডিএ নিয়েও। আগামী ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সরকারি কর্মীদের ২০ শতাংশ বর্ধিত ডিএ এবং চলতি মাসের বেতন পাওয়ার কথা সরকারি কর্মচারীদের। যার মধ্যে রয়েছেন পুরসভার কর্মীরাও। তবে পোর্টালে সমস্যার জেরে চিন্তায় পুরকর্মীরা।
অগ্রিম বেতন ও ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘আমরা পুজোর আগেই অ্যাডভান্স বেতন দেব, ২০ শতাংশ ডিএ অ্যাডিশনাল করেই দেব।’ রাজ্যের সরকারি কর্মী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, বিভিন্ন স্ট্যাটিউটরি বডি, সরকারি সংস্থা, পঞ্চায়েত কর্মী, পুরসভা ও পুরনিগমের কর্মীরা সকলেই পাবেন বর্ধিত ডিএ-র সুবিধা। ইতিমধ্যে জারি হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। এদিকে সময় এগিয়ে এলেও প্রযুক্তির সমস্যা।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা যোজনা সহ সরকারি প্রকল্পে টাকা বাড়াবে সরকার? মুখ্যমন্ত্রী বললেন, যদি রিভিনিউ বাড়ে আরও…
এখনও বহু ১০০ দিনের কর্মীরা আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বেতন পাননি। পুরসভার সিভিক ভলান্টিয়ারদের একাংশের ক্ষেত্রেও তাই। সবমিলিয়ে সার্ভার কাজ না করায় বেতন পাওয়া গেলেও বর্ধিত ডিএ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে কর্মীদের মধ্যে। ‘ই-কেএমসি ২.০’ পোর্টালের সমস্যার সমাধান না হলে পে-স্কেল মেনে বর্ধিত ডিএ প্রাপকদের তালিকা পাঠানো যাবে না। তাহলে ৩৩ হাজার পুরকর্মীর ২০ শতাংশ বর্ধিত ডিএ-র হিসেব কীভাবে হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কর্মীদের মধ্যে।













