বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কাজের গতি কম হতেই এবার পঞ্চায়েত ও ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) প্রশ্নের মুখে পড়লেন আধিকারিকরা। কোথাও কাজের গতি নেই, কোথায় আবার প্রকল্পের বাস্তবায়ন আটকে আছে, কিন্তু কেন? এই নিয়ে একের পর এক আধিকারিক প্রশ্নের মুখে পড়লেন। কাজ করতে না পারলে বদলির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মন্ত্রী-সচিবরা।
কাজের গতি কমতেই উষ্মা প্রকাশ পঞ্চায়েতমন্ত্রীর | (Dilip Ghosh)
সম্প্রতি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রদ্যোত স্মৃতি সদনে একটি প্রশাসনিক রিভিউ মিটিং আয়োজন করা হয়েছিল। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা সেই মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক, দফতরের সচিব পি উলগানাথন।
আরও পড়ুনঃ ‘অযোগ্য’রা প্রকল্পের টাকা পেলেও ফেরত দিতে হবে! আবাস যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এই রিভিউ মিটিংয়ে পঞ্চায়েত সচিব, নির্মাণ সহায়ক, বিডিওদের ধরে ধরে কাজের হিসাব নেন দিলীপ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক সহ দু’টি জেলার আধিকারিকরা। সাংসদ জুন মালিয়া, কালীপদ সোরেন, মিতালি বাগ সহ বহু বিধায়কও এই মিটিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন।
এই বৈঠকে রীতিমতো পরিসংখ্যান ধরে ধরে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের আবাস যোজনা ও ভিবিজিরামজি প্রকল্প নিয়ে বক্তব্য রাখেন সচিব পি উলগানাথন। কয়েকটি ব্লক ও পঞ্চায়েতে কাজের গতি কম থাকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
দাসপুর ১ ব্লকে ভিবিজিরামজি প্রকল্পের কাজ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন মন্ত্রী-সচিবরা। রাজনগর পঞ্চায়েতে কাজের গতি কম হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বন্যার কারণে কাজের গতি ব্যাহত হয়েছে দাবি করা হলেও সচিব বলেন, “রাজ্যের অনেক বন্যাপ্রবণ এলাকায় কাজের গতি ভালো।“ ফলে অজুহাত না দিয়ে কাজে গতি আনতে বলা হয়।

এই প্রশাসনিক রিভিউ মিটিংয়ে মন্ত্রী ও সচিব স্পষ্ট জানান, অজুহাত না দিয়ে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। কাজ করতে ব্যর্থ হলে কোথায় বদলি করা হবে সেই নিয়ে আধিকারিকদের ভাবতে হবে বলেও জানানো হয়।
সরকারি কাজে কিছুতেই ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না, তা বারবার বলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এবার কাজের গতি কমতেই পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষের প্রশ্নের মুখে পড়লেন আধিকারিকরা। কাজ করতে না পারলে বদলির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।













