বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর আগেই নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপ-নির্বাচনে (By-Election Result) বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি (BJP)। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বঙ্গ রাজনীতিতে শুরু হয়েছে ব্যাপক চর্চা। একদিকে যেমন রাজ্যে শাসক সে মিলে ধরা পড়েছে জয়ের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। তেমনি সমালোচনার ঝড় উঠেছে বিরোধী শিবির গুলিতে। বিশেষ করে এই উপ-নির্বাচনের ফলাফলে নজর কেড়েছে সংখ্যালঘুদের ভোট। এই সংখ্যালঘু ভোট নিয়েই এদিন বাংলা হান্টের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)।
নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপ-নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে জয় বিজেপির
শুরুতেই তিনি বললেন, ‘সংখ্যালঘু ভোট বাড়বে, সংখ্যালঘু ভোট পাব, সংখ্যালঘুদের মন পাল্টাচ্ছে, তারা বুঝতে শিখেছে এবং ওদের ইতিহাস যদি দেখেন সংখ্যালঘুরা একটু সরকারের সাথেই চলতে ভালোবাসে। এক্ষেত্রে কি হয়েছে জানিনা কারণ অন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা বোধ হয় সবাই সংখ্যালঘু ছিল। তারা সবাই কিন্তু ভোট যদি কাটাকাটি করে থাকে তাহলেও এরম একটা ফলাফল আসতে পারে। মানে আমি রেজিনগরের ক্ষেত্রে বলছি, আর বাকি জায়গায় তো সব মানুষই বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন নন্দীগ্রামে। তো এটা নিয়ে আর কি বলার আছে।’
প্রসঙ্গত নবান্ন থেকে এদিন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘রেজিনগরের মানুষ বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে বিজেপিকে চাইছেন এবং সংখ্যালঘু মানুষরা চাইছেন নতুন সরকারের সাথে কাজ করতে।’
এই কথা প্রসঙ্গে সজল ঘোষ এদিন বললেন, ‘হ্যাঁ আমি বললাম তো, সংখ্যালঘুরা সরকারের সাথে থাকেই । তাছাড়া তাদের যে ভুল বোঝানো হয়েছিল। অন্নপূর্ণা ভান্ডার তারা পেয়েছে। নামাজ তাদের বন্ধ হয়ে যায়নি। হ্যাঁ হেলমেটটা পড়তে হচ্ছে। এটাই হচ্ছে পরিবর্তন, সবাই সমান ভাবে থাকবে। সকলের সমান অধিকার থাকবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বলে বেশি পাবে সংখ্যালঘু বলে কম পাবে এরকমও ব্যাপার নয়। আবার সংখ্যালঘু তোয়াজও হবে না।’
আরও পড়ুনঃ আর্টিফিশিয়াল রেজাল্ট! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে হারের পর সাফাই কুণালের
নন্দীগ্রামে সংখ্যালঘু বুথ গুলোতে লীড দিয়েছে বিজেপি। এই প্রসঙ্গে সজল ঘোষ বললেন, ‘সংখ্যালঘুরা ভোট দিয়েছেন তাই। দুটো-একটা যেগুলো অভিযোগ ওগুলো বিক্ষিপ্ত। ওটা একটা-দুটো।’
প্রায়শই বিজেপিকে বলা হচ্ছে হিন্দুত্ববাদী দল। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সজল ঘোষ স্পষ্ট জানান, ‘এখন ভারতীয় দল হয়ে যাচ্ছে তাদের কাছে। এবার আস্তে আস্তে বিজেপি ভারতীয় দল, রাষ্ট্রবাদী দল হবে। যারা হিন্দুত্ববাদী দল বলতো তারাই বলবে এবার।’ আর কী বললেন সজল ঘোষ? দেখে নিন ভিডিওতে।













