বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পরের সপ্তাহে পুজো। এদিকে বাঙালির উৎসব শুরু হয়ে গেলেও বকেয়া ডিএ এখনও অধরা পোষিতদের। পুজোর আগে যাতে অন্তত এক কিস্তি বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) মিটিয়ে দেওয়া হয়, বারংবার সেই দাবি তুলে সরব হয়েছেন গ্রান্ট ইন এইড-রা। তবে এখনও সুরাহা হয়নি। যাঁরা বকেয়া পেয়েছেন তাঁদেরও অভিযোগ বিস্তর। হয়নি মনিটরিং কমিটির বৈঠক। ডিএ ইস্যুতে মনিটরিং কমিটির বৈঠক নিয়ে টালবাহানা অব্যাহত এখনও। কবে হবে সেই বৈঠক? এবার সরকারি কর্মীদের হয়ে আওয়াজ তুলল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে ফের চিঠি যৌথ মঞ্চের | Dearness Allowance
সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “সময় হয়েছে বিচারপতিগণ কোনো কমিটির মাথায় থেকে জনগণের জন্য কাজ করলে তার স্বচ্ছতা নিয়ে জবাবদিহি করার।
সুপ্রিম কোর্টে চলা DA CASE এ সরকার ও কর্মচারী দুটি পক্ষ। সুপ্রিমকোর্ট রায় দিল রোপা -2009 অনুযায়ী এআইসিপিআই মেনে সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে কর্মচারী-পেনশনারদের। এই পেমেন্ট কেমন ভাবে মেটানো হবে,কার কত বকেয়া এই সমস্ত কিছুর তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হল সুপ্রিমকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রাকে মাথায় রেখে গঠিত চার সদস্যের কমিটিকে। এই কাজ সঠিকভাবে করতে গেলে বাদী বিবাদী দুই পক্ষের সাথেই কমিটির নিয়মিত বৈঠক হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কমিটি একপাক্ষিক ভাবে সরকারের আধিকারিকদের সাথে আলোচনার সাপেক্ষেই সমস্ত কাজকর্ম করছেন।”
ভাস্করবাবু আরও লিখেছেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্মচারী সংগঠনগুলোর সাথে বসার প্রয়োজন অনুভব করছেন না। বারবার চিঠি লিখে বৈঠকের আবেদন করেও কমিটির কাছ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। আজ (07/10/2026) তারিখে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে আগামী সপ্তাহে বৈঠক চেয়ে নতুন করে আবার চিঠি পাঠানো হলো।

ভারতীয় বিচারব্যবস্থার সমস্যাটা হলো তারা সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের জবাবদিহি চাইলেও তাদের কাজের কোনো জবাবদিহি কারো কাছে কোনদিন করেন না। গণতান্ত্রিক দেশে এই ব্যবস্থা ঠিক নয়।” উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের পঞ্চম পে কমিশন সংক্রান্ত বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত যে বৈঠক শেষবার দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল, তবে তা ‘বিশেষ কারণে’ বাতিল হয়ে যায়।
অর্থদপ্তর তরফে বলা হয়, পরবর্তী বৈঠক হবে তা নির্ধারণ করে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে একমাস হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত বৈঠকের পরবর্তী দিনক্ষণ নিয়ে কোনও আপডেট নেই। তাতেই হতাশ, একইসাথে ক্ষুব্ধ সরকারি কর্মচারীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী যাতে দ্রুত বৈঠক আয়োজন করা হয় সেই লক্ষ্যে ফের যৌথ মঞ্চের তরফ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রাকে।













