Durga Puja 2026 Live Updates

হারতে আরম্ভ করতেই সব বাতিল করার দাবি! বিরোধীদের একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ

Updated on:

Updated on:

Dilip Ghosh confident about winning By-election by Huge Margins
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গোটা শহর সেজে উঠেছে পুজোর সাজে। বাংলায় পালাবদলের পর এটাই বিজেপি সরকারের হাত ধরে প্রথম দুর্গাপুজো হতে চলেছে। শনিবার মহালয়া থেকে শুভ সূচনা হয়েছে দেবীপক্ষের। বিজেপি সরকারের হাত ধরে প্রথম দুর্গাপুজোয় মহালয়া থেকে শুরু করে দেবীর বোধন সবকিছুই একেবারে নিয়মমাফিক হবে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। একই সাথে কড়া ভাষায় আক্রমণ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী শিবিরকেও।

বিধিবিধান না মেনেই পুজো হত, এবার মহালয়ায় দেবীপক্ষের সূচনা হবে

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুর্গাপুজো প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘দুর্গাপুজো অলরেডি হেরিটেজ হিসাবে বিশ্বে স্থান পেয়েছে। দুর্গাপুজোর একটা বিধিবিধান আছে। এতদিন পুজো হতো সেই বিধিবিধান না মেনেই। পিতৃপক্ষেই পুজো উদ্বোধন হয়ে যেত। মহলয়ায় সূচনা হয়েছে দেবীপক্ষের।’

দিলীপ ঘোষের দাবি, মায়ের বোধন থেকে শুরু করে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন সবকিছুই এবার হচ্ছে একেবারে নিয়মমাফিক। তিনি বলেছেন, ‘মহালয়ার সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতির পাশপাশি, দুর্গাপুজোর পরম্পরা এবং পুরনো ইতিহাসকে তুলে ধরা হবে। আর তাতে ৬০-৭০ হাজার লোক ভিতরে থাকবেন এবং পুরো বিশ্বের লোক দেখবেন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে।’

আরও পড়ুনঃ ‘সংখ্যালঘুরা সরকারের সাথে চলতে ভালোবাসেন’, উপনির্বাচন জিতে সাফ বার্তা সজল ঘোষের

একইসাথে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তিনি বললেন, ‘সারা কলকাতাকে সাজানো হচ্ছে, শারদীয়ার প্রেক্ষাপটে। আজ আমরা দেখলাম সকাল সাড়ে চারটে থেকে রাস্তা ঘাটে, ঘরে বাইরে, পাড়ায়-পাড়ায় মহালয়ার চণ্ডীপাঠের যে রেকর্ড বাজছে তাতে ছোটবেলার যে পুরনো স্মৃতি সেটা আমার মনে এল। যেদিকে যাচ্ছি, যা শুনছি মহালয়ার গান পাচ্ছি। শারদীয়ার উদ্বোধন হচ্ছে। এই পরিবেশটা দরকার ছিল। লোকে খোলা মনে আনন্দের সঙ্গে দুর্গাপুজা করবেন। তার একটা পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে।’

এরপরে বিরোধী শিবিরকে আক্রমণ জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘বিরোধীরা হতাশার শেষ সীমার পৌঁছে গিয়েছেন তাই যা কিছু করতে পারেন, যে কোনো কিছু ঘটনা ঘটতে পারে, বলে সরকার সতর্ক হয়েছে। আন্দোলন করতে বাধা নেই কারও । সবাই নিজের বক্তব্য রাখতে পারেন । গণতান্ত্রিক দেশে আন্দোলন করতেই পারেন।  কিন্তু যেভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে তার ফলে সাধারণ মানুষও ভয়ের মধ্যে আছে। সেজন্য সরকার যাতে সুষ্ঠুভাবে এই সমস্ত প্রোগ্রাম হয়ে যায় তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে।’

এরপর এই বিরোধীদের চরম কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘হারতে হারতে হারাধন হয়ে গেছেন ওনারা। এতদিন ওনারা জিতে আসছিল ঠিক ছিল। যেই হারতে আরম্ভ করেছে তখন সব বাতিল করতে হবে। এইভাবে দেশ চলতে পারে না।’

আরও পড়ুনঃ আর্টিফিশিয়াল রেজাল্ট! নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে হারের পর সাফাই কুণালের

সরাসরি হুশিয়ারি দিয়ে দিলীপবাবু জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ওনারা ভাবছেন অন্যান্য দেশে যেরকম একটা উৎপাত করে সরকার পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা ভারতবর্ষে হবে না। ভারতবর্ষকে না জেনেই এতদিন রাজনীতি করেছেন। ভারতের লোক ওদেরকেই পাল্টে দেবে। ভারতের পরম্পরা, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র আমাদের রক্তে আছে।’

একইসঙ্গে তাঁর আরও দাবি, ‘এখানকার মানুষকে ভড়কে দিয়ে কেউ কিছু করতে পারবেন না। বিশেষ করে কমিউনিস্টরা। ওরা এতদিন মানুষকে বিভ্রান্ত করত। তথ্য নিয়ে, ঘটনা নিয়ে, ইতিহাস নিয়ে সব বিকৃত করেছে। এবার একটু অভ্যাস পাল্টানোর সময় এসেছে। এবার পাবলিক পাল্টে দেবে।’