বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চলতি বছরে মে-মাসে রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই একেরপর এক পরিবর্তন হচ্ছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক ঘোষণা করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সাথে তা কার্যকর করতেও বেশ তৎপরতা অবলম্বন করতে দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে (State Universities) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বেতন সংক্রান্ত এক ঘোষণা প্রকাশ্যে এসেছে।
সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য চালু নয়া সিস্টেম
৩১টি সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য চালু হতে চলেছে একটি নতুন সিস্টেম। জানা যাচ্ছে, এই নিয়ম প্রাক্তন সরকারের আমলেই চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে বিভিন্ন কারণবশত এই নিয়ম চালু করতে বারংবার অপারগ হয়েছেন প্রাক্তন সরকার। যদিও এবারে সেই ফাঁক আর থাকবেনা। সরকারের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্পষ্টত জানানো হয়েছে কাজের গতি সম্পর্কে সত্বর জানাতে হবে।
নতুন সরকার গঠনের পরে পরেই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ (HRMS) চালু করার জন্য। তবে এই বিষয়ে ঘোর আপত্তি জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। যদিও তাদের আপত্তিকে কার্যত গুরুত্ব না দিয়েই উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব পার্থ চক্রবর্তী এই বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ মহালয়ায় বাংলার মানুষের মঙ্গল কামনার বদলে দিল্লিতে! ‘ঘর শত্রু বিভীষণ’ বলে বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা
গত ৭ ই অক্টোবর পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী সোমবার থেকেই এই বিষয়ে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে তার রিপোর্ট অর্থাৎ অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (ATR) জমা করতে হবে। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের তরফে এই নির্দেশিকাকে ‘IMPORTANT’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৩ থেকে এই ব্যবস্থা ফলপ্রসূ করা না গেলেও এবার এই বিষয়ে বেশ কঠোর উচ্চশিক্ষা দপ্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের কাছে এই নির্দেশিকা পাঠানোর সাথে সাথে এটাও বলা হয়েছে এই ব্যবস্থা গ্রহণে যদি কোনোরকম অসুবিধা হয় তা যেন জানানো হয়।
এদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজেশ্বর সিন্হা এই প্রসঙ্গে জানান, “গতবারও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ (এইচ আর এম এস) চালুর জন্য নোটিস জারি করা হয়েছিল। তবে সেই সময়ে (ইসি) সিদ্ধান্ত নিলেও তা কার্যকর করে উঠতে পারেননি। এবারেও যেন তা না হয়। ইসি-ই সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে তবেই সিদ্ধান্ত নিক।”














