বাংলাহান্ট ডেস্ক : এবছর ইলিশের (Hilsa) বাজার পড়তির দিকে। ভরা মরশুমেও সেভাবে ইলিশ ওঠেনি মৎস্যজীবীদের জালে। শুধু ইলিশ নয়, অন্য মাছও তেমন ভাবে ওঠেনি। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে কাকদ্বীপে। মৎস্যজীবীদের ইলিশ ধরে সেভাবে লাভ হয়নি। তার জেরেই পুজোর বাজেটেও প্রচুর কাটছাঁট করতে হয়েছে।
ইলিশ (Hilsa) না ওঠায় পুজোয় প্রভাব
মৎস্যজীবী সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, ইলিশের মরশুমে ইলিশ সেভাবে মেলেনি। এর ফলে পুজোর বাজেটে পড়েছে প্রভাব। সমগ্র কাকদ্বীপ জুড়েই মাত্র ৩-৪ টি পুজো ছাড়া আর কোনও পুজোরই সেভাবে বাজেট বাড়েনি। আলো, প্যান্ডেল সবক্ষেত্রেই বাজেট কমেছে। যদিও রীতিনীতি মেনেই পুজো হচ্ছে সর্বত্র।

ইলিশের টাকাতেই পুজো: মূলত পুজোর সময় মৎস্যজীবীদের ইলিশ আহরণের টাকাতেই পুজো হয় কাকদ্বীপে। ইলিশ ধরার টাকায় লাভের মুখ দেখে প্রতিটি বাড়ি। কিন্তু এবার ছবিটা অনেকটাই অন্যরকম। ভরা মরশুমেও তেমনভাবে ইলিশ ধরা পড়েনি। পুজোর আগে ইলিশ উঠবে বলে আশা থাকলেও তেমনটা হয়নি।
আরও পড়ুন : যাত্রীদের অভিযোগে নড়েচড়ে বসল রেল, ট্রেনের খাবারের পরিচ্ছন্নতা ও গুণমান বৃদ্ধিতে বড় পদক্ষেপ
আরও কমবে মাছ: বঙ্গোপসাগরে ইলিশ (Hilsa) নেই। অন্য মাছেরও দেখা নেই সেভাবে। শীত পড়তে শুরু করলে মাছের পরিমাণ আরও কমবে। মনে করা হচ্ছে, বড়জোড় আর একমাস মাছ ধরা হবে। তবে ইলিশ জালে ওঠার আর সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে। ইলিশ না ওঠার প্রভাব পড়েছে পুজোর আনন্দেও। অন্যান্যবারের তুলনায় এবার আনন্দের ছিটেফোঁটাও নেই মৎস্যজীবীদের মধ্যে।
আরও পড়ুন : একরাতেই কভার করুন ৫ টি সেরা পুজো, কালীঘাট মেট্রো থেকে রইল পথনির্দেশ
এবছর বাংলাদেশ থেকেও আসেনি ইলিশ। পদ্মার ইলিশ পড়েনি বাঙালির পাতে। গুজরাটের ইলিশ দিয়েই কাজ চালাতে হচ্ছে। উপরন্তু শীত পড়লে মাছ আরও কমবে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।














