বাংলা হান্ট ডেস্ক : দুর্গাপুজোর কয়েকটা দিন রাস্তায় মানুষের ঢল নামবে, আর সেই ভিড় সামলানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের কাছে। মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জেরে যাতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি অবরুদ্ধ না হয়ে পড়ে, তার জন্য উৎসবের দিনগুলিতে যান চলাচলের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধিনিষেধ (Traffic Restrictions) ঘোষণা করা হয়েছে।
পুজোর কটা দিন কী বিধিনিষেধ (Traffic Restrictions) জারি করা হয়েছে?
পূর্ব বর্ধমানের জি.টি. রোডে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই রাস্তা দিয়ে টোটো, মোটর ভ্যান, পণ্যবাহী গাড়ি এবং বাস চলাচল করতে পারবে না। ফলে পুজোর পরিকল্পনা করার পাশাপাশি যাতায়াতের সময়সূচিও মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। ট্রাফিক পুলিশের প্রকাশিত নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী থেকে ২২ অক্টোবর একাদশী পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে রাত ১টা অবধি জি.টি. রোডে টোটো, মোটর ভ্যান ও পণ্য পরিবহণের গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।
পুজোর সময়ে রাস্তায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ তৈরি হলে দর্শনার্থীদের চলাফেরায় সমস্যা হতে পারে। সেই আশঙ্কা মাথায় রেখেই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই যানগুলিকে শহরের প্রধান রাস্তা থেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ছোট যান বা পণ্যবাহী গাড়িই নয়, বাস চলাচলের ক্ষেত্রেও সময় বেঁধে দিয়েছে প্রশাসন। ১৭ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৪টে থেকে পরের দিন ভোর ৩টে পর্যন্ত শহরের প্রধান জি.টি. রোডে টাউন সার্ভিস বাস এবং দূরপাল্লার বাস চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে।
এই সময়ের মধ্যে বাসে যাতায়াত করতে হলে যাত্রীদের বিকল্প রুট বা পরিবহণের ব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকেই খোঁজ নেওয়া দরকার।
নির্দেশ অমান্য করে নিষিদ্ধ সময়ে ওই রাস্তা দিয়ে যানবাহন চালালে সংশ্লিষ্ট চালক বা গাড়ির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। তাই পুজোর ব্যস্ত সময়ে নিয়ম ভাঙার ঝুঁকি না নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন : হাইকোর্টে খারিজ হলেও কেন সুপ্রিম কোর্টে মঞ্জুর সন্দীপ ঘোষের জামিন? জানুন কারণ
উৎসবের মরশুমে যানজটের কারণে যাতে সাধারণ মানুষের আনন্দ মাটি না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। তবে নিষেধাজ্ঞার জেরে কিছু যাত্রীর যাতায়াতের পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হতে পারে। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে রাতের মধ্যে বর্ধমান শহরের জি.টি. রোড ব্যবহার করার প্রয়োজন থাকলে নির্ধারিত সময় মাথায় রেখে রওনা হওয়াই ভালো।














