Durga Puja 2026 Live Updates

পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! কলকাতার বিখ্যাত ৩ পুজোকে নোটিস পাঠাল দমকল

Published on:

Published on:

Fire department sends notices to 3 famous Kolkata Pujas
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর দুর্গাপুজোর ভিড় সামলানো থেকে শুরু করে মণ্ডপের অগ্নিসুরক্ষা—সব দিকেই বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। উৎসবের মরশুমে কোনও বিপজ্জনক পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন পুজো মণ্ডপ খতিয়ে দেখছে রাজ্য সরকারের পরিদর্শক দল। সেই পর্যবেক্ষণেই কলকাতার (Kolkata) তিনটি পরিচিত পুজোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কলকাতার (Kolkata) কোন ৩ পুজো মন্ডপকে নোটিশ পাঠানো হল ?

চেতলা অগ্রণী, বালিগঞ্জ কালচারাল এবং ত্রিধারা সম্মিলনীকে এবার অগ্নিনিরাপত্তার ঘাটতি মেটানোর নির্দেশ দিয়ে নোটিস পাঠিয়েছে দমকল। চেতলা অগ্রণীর ক্ষেত্রে শুধু মণ্ডপের ভিতরের ব্যবস্থাই নয়, আশপাশের পরিস্থিতি নিয়েও আপত্তি উঠেছে। পরিদর্শক দলের নজরে এসেছে, মণ্ডপে পর্যাপ্ত আলো, পাখা এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেই। তার পাশাপাশি মণ্ডপের কাছাকাছি বেআইনিভাবে তৈরি অস্থায়ী কাঠামো ও এলপিজি সিলিন্ডার রাখার বিষয়টিও চিহ্নিত করা হয়েছে। বিপদের আশঙ্কা এড়াতে ওই অস্থায়ী কাঠামো দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।

বালিগঞ্জ কালচারালের ক্ষেত্রে মূল উদ্বেগ মণ্ডপের ভিতরের আলো এবং জরুরি সময়ে বেরিয়ে আসার পথ নিয়ে। আলো কম থাকলে বিপর্যয়ের মুহূর্তে দর্শনার্থীদের নিরাপদে বাইরে বের করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছে পরিদর্শক দল। তাই প্রবেশপথ, বেরোনোর গেট এবং সংলগ্ন এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যকলাপ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ত্রিধারা সম্মিলনীর অন্দরসজ্জাতেও বিপদের সম্ভাবনা দেখছেন পরিদর্শকেরা। মণ্ডপ সাজাতে প্রচুর দাহ্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগুন লাগলে এই ধরনের সামগ্রী থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা ভিড়ের মধ্যে থাকা মানুষের জীবন বিপন্ন করতে পারে। তাই সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংশোধনের পাশাপাশি বিদ্যুতের সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোও নিরাপদ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Fire department sends notices to 3 famous Kolkata Pujas

আরও পড়ুন : জুড়েছে আরও ৮ লাখ মহিলার নাম! অক্টোবরেও অন্নপূর্ণা যোজনা না পেলে কী করবেন জানুন

তিনটি পুজো কমিটির সামনে এখন সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দমকল। ১৮ অক্টোবরের মধ্যে চিহ্নিত ত্রুটিগুলি সারাতে হবে। মণ্ডপের সাজসজ্জা যতই আকর্ষণীয় হোক, সামান্য গাফিলতিও বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। প্রশাসনের নজরদারির পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদেরও নিরাপত্তার বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়া জরুরি।