বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পুজোর মধ্যে তারিখ পড়লেও বিস্তারিত শুনানি হয়নি। রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলার পরবর্তী শুনানি লক্ষ্মীপুজোর পর। আগামী ২৭ অক্টোবর মূল মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত। তার আগে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। ক্ষোভ মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়েও।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে ক্ষোভ যৌথ মঞ্চের | Dearness Allowance
ডিএ নিয়ে সমস্ত জটিলতা কাটাতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার সভাপতিত্বে বিশেষ কমিটি গড়ে দেয় আদালতই। সরকারি কর্মচারীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে এই বৈঠক শেষবার দিল্লিতে হওয়ার কথা ছিল, তবে তা ‘বিশেষ কারণে’ বাতিল হয়ে যায়। এরই মধ্যে কমিটি সরকারের সঙ্গে বসলেও সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলা শেষ করতে পারেনি বলেই খবর।
এই বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সমাজমাধ্যমে সম্প্রতি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন,” মালহোত্রা কমিটি ১০/১০/২৬ এ রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক করতে পারলো অথচ আমাদের সঙ্গে বসার সময় পেলেন না? সুপ্রিম নির্দেশের পরেও?” মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন ভাস্করবাবু।
সেই পোস্টে ‘ঠোঁটকাটা বাঙালি’ বলে একজন লিখেছেন, “মালহোত্রা কমিটি আমাদের কোনো কাজে লাগবে না। যদি সুযোগ থাকে, তাহলে এই কমিটিকে ডিজলভ্ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেই ভালো। সরকারি কর্মচারীদের অধিকার আইনসঙ্গতভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গ্র্যান্ট ইন এইড কর্মচারীদের অক্টোবর মাসের বেতনে বর্ধিত মহার্ঘভাতা যোগ হয়েছে, তার অর্থ এটাই যে সরকার গ্র্যান্ট ইন এইড কর্মচারীদের অধিকার স্বীকার করে নিয়েছে। এক শ্রেণীর আমলা সরকারকে বিভ্রান্ত করছে। চারজন শিক্ষামন্ত্রীর মধ্যে একজনকেও এই বিষয়ে সক্রিয় বলে মনে হয় নি। এমতাবস্থায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে আলোচনার চেষ্টা করে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা ছাড়া অন্য কোনো পথ দেখছি না। ইন্দু মালহোত্রা কমিটিকে অনর্থক সরকারি পয়সায় পোষণ করা হচ্ছে।”

আবার অন্য একজন লিখেছেন, “ইন্দু মালহোত্রা কমিটি সুপ্রিম কোর্টের আদেশ মানছে না, যেটা সরাসরি বেআইনি ও কোর্ট অবমাননা আশা করি তাঁরা সেটা জানেন তবুও এই স্পর্ধার পিছনে কেউ বা কারা নিশ্চয়ই আছে।” উল্লেখ্য, পূর্বে মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজ-ও। চলতি মাসে ডিএ বিষয়ক মূল মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে সরকারি কর্মচারীরা এই কমিটির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।














