নিজেকে বাঁচাতে পুরনো পরিচয়কেই ঢাল! পুলিশি জেরায় বড় দাবি ইন্দ্রনীল সেনের

Published on:

Published on:

Indranil Sen claimed he earns money through singing in puja pass scam investigation

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গায়ক হিসেবে হাজারও মানুষের মন জয় করার পর রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। চন্দননগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি। পাশাপাশি মন্ত্রিত্ব সামলেছেন। যদিও বর্তমানে বেআইনিভাবে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির (Puja Pass Scam) অভিযোগে জেলবন্দি প্রাক্তন মন্ত্রী। এই অবস্থায় নিজেকে বাঁচাতে পুরনো পরিচয়কেই ঢাল করছেন বলে খবর।

দুর্নীতির দায় ঝাড়তে পুরনো পরিচয়ই ভরসা ইন্দ্রনীলের | (Indranil Sen)

বেআইনিভাবে পুজোর পাস বিক্রির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন গায়ক তথা প্রাক্তন বিধায়ক ইন্দ্রনীল। বর্তমানে তিনি জেলবন্দি। এখন জানা যাচ্ছে, দুর্নীতির দায় এড়াতে গানকেই হাতিয়ার করছেন তিনি।

Indranil Sen

পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ইন্দ্রনীল জানিয়েছেন, স্টেজ শো বা গানের অনুষ্ঠান করে পাওয়া টাকাই তাঁর পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বর্তমানে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে জমা থাকা টাকার পরিমাণ রহস্যজনকভাবে কম। ওই টাকা অন্য কোথাও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

আরও পড়ুনঃ চাঁদার নামে জুলুমবাজি অতীত! অভিযোগ জানাতে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু কলকাতা পুলিশের

জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের পর থেকে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দা সেনের সংস্থা মাস আর্ট পুজোর পাস বিক্রি শুরু করার পর থেকে ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা জমা পড়ত। অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্টে এর প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেই টাকা কোথায় সরানো হয়েছে এখন সেটাই জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

অন্যদিকে মঙ্গলবার লালবাজারে তলব করা হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রীর স্ত্রীকে। সূত্রের খবর, পুলিশের কাছে দেওয়া বয়ানে তাঁর দাবি, ইন্দ্রনীল নিজের মতো কাজ করতেন, কারোর কথা শুনতেন না। তাঁর এই বয়ান মামলায় নয়া মাত্রা যোগ করেছে।

রাজনীতির ময়দানে পা রেখে বিধায়ক থেকে মন্ত্রী হয়েছেন গায়ক ইন্দ্রনীল। সেই সময় রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়া গানের অনুষ্ঠানে সেভাবে তাঁকে দেখা যেত না। তবে এবার দুর্নীতির দায় থেকে বাঁচতে নিজের গায়ক পরিচয়কেই তিনি ঢাল করছেন বলে খবর। স্টেজ শো বা গানের অনুষ্ঠান থেকে পাওয়া টাকাই পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে বলে দাবি প্রাক্তন মন্ত্রীর।