কালীপুজোর মণ্ডপে বিশেষ ‘স্প্রে’, চোরবাগানের পর বাড়তি সতর্কতা পুলিশ-দমকলের

Published on:

Published on:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : কালীপুজোয় (Kalipujo 2026) নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ পুলিশ প্রশাসনের। যেকোনো রকমের বিপত্তি এড়াতে সবরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে খবর। এবার জানা গেল, কালীপুজো মণ্ডপের কাঠামো ও কাপড়ে অগ্নিনিরোধক রাসায়নিক স্প্রে করা হচ্ছে বাধ্যতামূলক। মণ্ডপের কাছে দমকলের গাড়ি যাতে সহজেই পৌঁছে যেতে পারে সেই ব্যবস্থাও করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলকাতার কালীপুজো (Kalipujo 2026) মণ্ডপ পরিদর্শন পুলিশ দমকলের

বুধবার উত্তর কলকাতার নব যুবক সঙ্ঘ, মধ্য কলকাতার মুচিপাড়া ও জানবাজার, দক্ষিণ কলকাতার কেওড়াতলায় শ্মশানকালী, সরশুনায় চামুণ্ডা কালীপুজোর মণ্ডপ পরিদর্শন করেন লালবাজার ও দমকলের কর্তারা। তারপরেই নিরাপত্তার বিষয়ে এই সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Police and fire brigade special instructions for kalipujo 2026

নিরাপত্তায় বাড়তি সতর্কতা: পুজো মণ্ডপের পাশাপাশি ময়দানের বাজি বাজার ও লেক কালীবাড়িও পরিদর্শন করেন ডিজি অনুজ শর্মা ও কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (সদর) সুদীপ সরকার। তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের ডিসি ও থানার ওসিরাও ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। দুর্গাপুজোয় চোরবাগানের বিপর্যয়ের পর পুলিশ ও দমকলের তরফে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে নিরাপত্তায়।

আরও পড়ুন : বোঝাই গেল না তারকাদের অভাব! ইতিহাস বদলে ভারতকে জিতিয়ে বড় কীর্তি আনশুল কম্বোজের

কী কী নির্দেশ: কালীপুজো মানেই আলোর উৎসব। বাজির ফুলকি মণ্ডপে এসে পড়ে যাতে কোনও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা না ঘটে তার জন্য আগে থেকেই সতর্ক পুলিশ ও দমকল। পুজো (Kalipujo 2026) উদ্যোক্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অগ্নিসুরক্ষার জন্য মণ্ডপের কাপড় ও কাঠামোয় অগ্নিনিরোধক রাসায়নিক স্প্রে করতে হবে। প্রত্যেক মণ্ডপে পর্যাপ্ত পরিমাণে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ও বালি রাখতে হবে। মণ্ডপে প্রস্থানের পথ চওড়া করতে হবে। কোনও বাড়ির দেওয়াল লাগোয়া এসির আউটলেট থাকলে তার কাছে মণ্ডপ তৈরি করা যাবে না। পুজো কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের অগ্নিনির্বাপণের প্রশিক্ষণ দেবে দমকল।

আরও পড়ুন : নারকেলের দুধ নেই? তা সত্ত্বেও জমবে চিংড়ির মালাইকারি, রইল রেসিপি

দমকলের ডিজি বলেন, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী পুজো গুলির ক্ষেত্রে ভিড়ের স্বাভাবিক চলাচলের কথা মাথায় রেখে সার্কুলেশন প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও দমকল বিভাগ যৌথভাবে নজর রাখছে পরিস্থিতির উপরে। প্রত্যেক মণ্ডপে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মণ্ডপে প্রবেশ ও প্রস্থান পথ যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। প্রবেশ ও প্রস্থান পথের আশেপাশে স্টলগুলি সুশৃঙ্খলভাবে বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।