বাংলাহান্ট ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির সংবাদ এল। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সব শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারবর্গের জন্য নগদবিহীন চিকিৎসা পরিষেবা প্রকল্প চালুর সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা সরকারি এবং তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে মিলবে।
উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ১৫ লক্ষ শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর জন্য বড় ঘোষণা
মুখ্যমন্ত্রী গত শিক্ষক দিবসে এই প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন এবং এবার মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দিল। প্রশাসনিক সূত্র অনুযায়ী, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের প্রায় ১৫ লক্ষ শিক্ষক ও কর্মচারী এই স্বাস্থ্য বীমার আওতায় আসবেন। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের প্রায় ৪৪৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সুরেশ কুমার খান্না জানান, মোট ৩০টি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
আরও পড়ুন:নাম না করে ভারতকে হুঁশিয়ারি! ভবিষ্যতের যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বড় দাবি আসিম মুনিরের
মাধ্যমিক শিক্ষামন্ত্রী গুলাব দেবী বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের প্রায় ২ লক্ষ ৯৭ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সরাসরি এই সুবিধার আওতায় পড়বেন এবং এই খাতে সরকারের ব্যয় হবে আনুমানিক ৮৯ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। শুধু নিয়মিত শিক্ষক-কর্মচারীই নন, শিক্ষা পরিষদ স্বীকৃত স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষামিত্র, বিশেষ শিক্ষক, প্রশিক্ষক এবং প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনার রাঁধুনিরাও এই স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্তর্ভুক্ত হবেন।
প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা আরও বেশি। বেসিক শিক্ষা পরিষদের অধীনে থাকা ১১ লক্ষ ৯৫ হাজারেরও বেশি কর্মী এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হবেন। তাদের জন্য বার্ষিক আর্থিক বরাদ্দ ধরা হয়েছে প্রায় ৩৫৮ কোটি ৬১ লক্ষ টাকা। সরকারি হিসাবে, প্রত্যেক কর্মীর গড় বার্ষিক প্রিমিয়াম প্রায় ৩,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে রাজ্য সরকার বহন করবে।

আরও পড়ুন:পণের লোভ! অন্তঃসত্ত্বা মহিলা কমান্ডোকে ডাম্বেলের আঘাতে ‘খুন’ করলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কর্মরত স্বামী
সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি SACHIS-এর আওতাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালেও এই নগদবিহীন চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে। তবে স্বনির্ভর বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ক্ষেত্রে জেলা স্তরে গঠিত একটি কমিটি উপযুক্ততা যাচাই করবে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ শিক্ষাকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা জোরদার করবে এবং চিকিৎসার আর্থিক চাপ থেকে মুক্তি দেবে, যা শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।












