‘২ বছর ধরে দেখছি, কিছুই হল না’! আরজি কর কাণ্ডে CBI-এর চার্জশিটে হতাশ অভয়ার মা

Published on:

Published on:

Abhayas mother Ratna Debnath not happy with CBI latest chargesheet in RG Kar case
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মঙ্গলবার শিয়ালদহ আদালতে আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) নতুন স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা করেছে সিবিআই। যদিও সেই রিপোর্টে বিশেষ সন্তুষ্ট নন অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। কার্যত হতাশার সুরেই তিনি বলেন, “এই চার্জশিটে কিছুই নেই। দু’বছর ধরে দেখছি।“

সিবিআইয়ের চার্জশিটে রীতিমতো হতাশ অভয়ার মা | (Ratna Debnath)

গতকাল আদালতে আরজি কর কাণ্ডের ১৩ তম স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাঁদের আইনজীবী আদালতে জানান, নানা নথি, সিসিটিভি ফুটেজ, মেডিক্যাল ও ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হয়েছে। পাশাপাশি যে শ্মশানে অভয়াকে দাহ করা হয়েছিল, সেখানে গিয়েও তদন্ত করেছেন তদন্তকারীরা।

আরও পড়ুনঃ কৃষকদের জন্য ৪ বাম্পার সরকারি প্রকল্প! কোন স্কিমে টাকা বেশি? কোনটায় বেশি সুবিধা জানুন

সেখান থেকে প্রাপ্ত তথ্যই গতকাল জমা দেওয়া চার্জশিটে রয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবী আরও জানান, পরিবারের সদস্যদের তরফে যে বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, সেই দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হয়েছে। তবে কিছু বিষয়ে এখনও তদন্ত বাকি বলে জানিয়েছে সিবিআই। যদিও এই রিপোর্টে একেবারেই সন্তুষ্ট নন অভয়ার মা।

বুধবার রত্না বলেন, “দু’বছর ধরে এই চার্জশিট দেখছি। এই চার্জশিটে কিছুই নেই। কিছুই হল না। হাইকোর্টে কী চার্জশিট জমা পড়ল সেটা বিচারপতিরা দেখান না। তবে তাঁরাও এই চার্জশিটে সন্তুষ্ট নন।“

একইসঙ্গে অভয়ার মা বলেন, “স্বাস্থ্য দফতরের তরফে নতুন করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দেখা যাক কী হয়।“ তবে সদ্য জমা পড়া চার্জশিটে সন্তুষ্ট না হলেও তদন্ত কমিটির উপর আস্থা রয়েছে বলেই জানিয়েছেন রত্না।

Ratna Debnath

আরজি কর কাণ্ডের পর দু’বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত। তবে এখনও এই ঘটনার তদন্ত চলছে। গতকাল নতুন স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা হওয়ার পর অভয়ার বাবা বলেন, “আমরা খুশি এমনটা নয়। তবে সিবিআইয়ের বর্তমান তদন্তকারী দল আমাদের সঙ্গে কথা বলছে। তদন্ত করছে।“

অভয়ার বাবা আরও বলেন, এই মামলার দিকে রাজ্য সহ সম্পূর্ণ দেশ ও পৃথিবীর নজর আছে। দোষীদের সাজা দিতেই হবে। এবার অভয়ার মা রত্না জানালেন, তদন্ত কমিটির উপর আস্থা রয়েছে।