বাংলা হান্ট ডেস্ক: বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর (Khogen Murmu) উপর হামলার অভিযোগে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, তারা শুক্রবার জামিন পেলেন। জামিন মঞ্জুর করেছে জলপাইগুড়ি জেলা সার্কিট বেঞ্চ। কিন্তু আবার শুরু হলো বিতর্ক। জামিনের খবর আসতেই সমর্থকরা অঞ্চল সভাপতি লতিফুল ইসলামকে ফুলের মালা ও আতশবাজি দিয়ে বরণ করে, যা নিয়ে অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের (TMC) অন্দরেই।
খগেন মুর্মুর (Khogen Murmu) উপর হামলায় অভিযুক্তদের জামিন:
কয়েক মাস আগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেখতে যান বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। সেই সময় প্রবল বন্যায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল নাগরাকাটা ব্লকের বামনডাঙা এলাকা। তিন হাজারের বেশি মানুষ আটকে পড়েন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করতে বিজেপির প্রতিনিধি দল ৬ অক্টোবর ঘটনাস্থলে যায়।
ঐদিনই উত্তেজিত জনতা বিজেপির প্রতিনিধি দলকে আক্রমণ করে। খগেন মুর্মু গুরুতর আক্রান্ত হন। তাকে শিলিগুড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ভর্তি ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিজে দেখতে এসেছিলেন।
আরও পড়ুন:ভোটার তালিকায় কি কারচুপি? SIR নথিতে পরীক্ষা ছাড়াই সই করার নির্দেশ তৃণমূল নেতার, অভিযোগে তোলপাড়
খগেন মুর্মু হামলার ঘটনায় আদিবাসী স্বাধিকার ভঙ্গের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। যে মামলায় ১৯ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। চারমাস পর গতকাল শুক্রবার তারা জামিনে মুক্তি পায়। তবে আদালতের শর্ত ছিল কেউ নাগরাকাটার বাড়িতে যেতে পারবে না, সেই অনুযায়ী তারা কেউ নাগরাকাটার বাড়িতে ফিরতে পারেননি।
আরও পড়ুন:তৃণমূল বিধায়ককে ‘খুনি’ বলে উল্লেখ! কাকদ্বীপে মন্টুরামের বিরুদ্ধে পড়ল পোস্টার

এ প্রসঙ্গে লতিফুল বলেন, ‘যারা গ্রেফতার হয়েছিলেন, তাদের পরিবার আনন্দ উচ্ছ্বাস করবে তা নিয়ে বলার কী আছে। ওদের পাশে সব সময় ছিলাম। তাই আমাকে নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে। এর বেশি কিছু নয়।’ তবে এ নিয়ে শুরু হয়েছে তৃণমূলের মধ্যে অস্বস্তি। জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব, এ ধরনের অনুষ্ঠান থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখার বার্তা দিয়েছেন নগরকাটা ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বকে। জেলা তৃণমূল সভাপতি মহুয়া গোপও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।












