ভোটার তালিকায় কি কারচুপি? SIR নথিতে পরীক্ষা ছাড়াই সই করার নির্দেশ তৃণমূল নেতার, অভিযোগে তোলপাড়

Published on:

Published on:

Bhangar TMC leader threatens to obstruct SIR's work
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক:পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানির শেষ দিন ছিল আজ। এসআইআর নিয়ে আবারও অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভাঙড়ের (Bhangar) তৃণমূল ব্লক সভাপতি শাহজাহান মোল্লা নির্বাচন কমিশনের মাইক্রোও অবজারভারদের হুমকি দিয়েছেন। শোনা যাচ্ছে তৃণমূল নেতা নাকি পর্যবেক্ষকদের নথি যাচাইয়ের কাজে বাধা দিচ্ছেন।

এসআইআর-এর (SIR) কাজে বাধা দিয়ে হুমকি ভাঙড়ের (Bhangar) তৃণমূল নেতার

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজ প্রায় শেষ। নির্বাচন কমিশন থেকে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নথি যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। এরই মধ্যে ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান মোল্লা এসআইআর-এর কাজে বাধা দিয়ে সরকারি কর্মীদের হুমকি দিয়েছেন, সেই অভিযোগে উত্তাল রাজনৈতিক মহল। অনেক ভোটারের নথিতে অসংগতি ছিল, সেগুলোই যাচাই করে তারা মতামত দিয়েছে আর তাতেই অসন্তুষ্ট হন এই তৃণমূল নেতা শাহজাহান।

তার সাথে যুক্ত হয়েছেন সেখানকার ইআরও। তিনিও তৃণমূল নেতার সুরে সুর মিলিয়েছেন। মাইক্রো অবজার্ভাররা জানিয়েছেন, যাচাই না করে নথি জমা করিয়ে দিতে হবে কমিশনের কাছে, অন্যথায় ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাদের। ভাঙড়ের এই নেতা প্রভাবশালী হওয়ায়, তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

আরও পড়ুন:বাংলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল ১১ লক্ষ নাম! সংখ্যা আরও বাড়ার ইঙ্গিত

কমিশনকে এ ব্যাপারে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন তারা, সেই সঙ্গে বিষয়টি জানানো হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে। এ প্রসঙ্গে কমিশনের এক আধিকারিক বলেন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তি পেতে হবে। ভাঙড়ে তথ্যগত অসংগতির ক্ষেত্রে ভোটারদের নথি যাচাইতে বাধা দিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা, এমনটাই অভিযোগ। সেইসঙ্গে ইআরও-র বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও খতিয়ে দেখবেন নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন:SIR-এর কাজে যুক্ত BLO-দের উদ্দেশ্যে ফতোয়া জারি তৃণমূল নেতার! এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি

Bhangar TMC leader threatens to obstruct SIR's work

শোনা যাচ্ছে এই তৃণমূল নেতা নাকি বলেছেন ‘এত চেকিং কিসের! পাস করিয়ে দিন, তা না হলে ক্ষতি হয়ে যাবে’। এই ঘটনার সাথে সাথে আরও অভিযোগ উঠেছে যে মাইক্রো অবজারভারদের নাকি হুমকি দিয়েছেন ভাঙরের বিডিও-ও। এই ঘটনার পরেই বড় পদক্ষেপ নেয় নির্বাচন কমিশন। মাইক্রো অবজারভারদের বিডিও অফিস থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন। সেই সঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও কাঠগড়ায় তুলল নির্বাচন কমিশন। জ্ঞানেশ কুমার এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন কিভাবে ইআরও বা এইআরও-রা মাইক্রো অবজারভারদের বিডিও অফিসে ডেকে হুমকি দিচ্ছেন।