বাংলা হান্ট ডেস্ক: বেলডাঙায় (Beldanga) যে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল, তার তদন্তে নামলো এবার এনআইএ। বহরমপুর এসিজেএম আদালতের নির্দেশে রবিবার থেকে, বেলডাঙায় যে অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল তার তদন্তের ভার নিলো এনআইএ( NIA)। তবে এনআইএ এর তদন্তভার নেওয়া নিয়ে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং হুমায়ুন কবীর।
বেলডাঙায় (Beldanga) অশান্তির ঘটনায় তদন্তের ভার নিলো এনআইএ
সাংবাদিক সম্মেলন করে অধীর রঞ্জন চৌধুরী এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। রবিবার তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান যে, কোনও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হয়নি, সংঘর্ষ হয়নি বা রক্তারক্তি হয়নি। প্রতিবাদ হয়েছে, সেটা জনগণের ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ার কারণে। ঘরের ছেলে বাইরে গিয়ে মারা যায়, শ্রমিকের কাজ করে আক্রমণের শিকার হচ্ছে, তারই প্রতিফলন ঘটেছে এখানে।
একটা ছোট ঘটনা কে বড় করে দেখানো হচ্ছে বলেও বহরমপুরের প্রাক্তন সাংসদের অভিযোগ। তাঁর মতে এই ঘটনায় এনআইএর তদন্ত করার মত কিছু নেই। তিনি আরো জানান পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যের বাইরে কাজ করতে গিয়ে বিপদে পড়ছে। এর আগেও মুর্শিদাবাদে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তাই জন্য রাস্তা রেল আটকে সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ দেখিয়েছে আর এর জন্য তিনি পুলিশি ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন।
আরও পড়ুন:বড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের! নির্বাচনের আগে এই দেশগুলিকে জানানো হল আমন্ত্রণ, ডাক পেল ভারতও
অন্যদিকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জনগণ উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরও। তার মতে এনআইএ সিবিআই কেন্দ্রীয় এজেন্সি গুলো, ঘটনার তদন্ত ঢিলেমি দিয়ে করে। এদের সাফল্য শুন্য। এরা রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরির কিনারা করতে আজও পারেনি। এখানে জাতীয় সড়ক কি কারণে অবরোধ হয়েছিল, কাদের নেতৃত্বে হয়েছিল সেটা খুঁজে বের করুক পুলিশ।
আরও পড়ুন:মাথায় নেই হেলমেট, বিধি ভেঙে ১০ হাজার বাইক নিয়ে মিছিল! ফলতায় তৃণমূল নেতার কাণ্ডে তুঙ্গে বিতর্ক

অন্যদিকে অধীর চৌধুরী সাংবাদিকদের উপর হামলা কে ঘিরে অনভিপ্রেত ঘটনায়, রাজ্য প্রশাসনকে তোপ দাগেন। তাঁর মতে প্রশাসন সেদিন অবরোধ তুলতে কোন উৎসাহ দেখায় নি। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যদি আলোচনা হতো তাহলে অবরোধ এতক্ষণ থাকতো না। পুলিশ এবং প্রশাসনের ব্যর্থতা ও সরকারের ব্যর্থতার জন্য ঘটেছিল ওই ঘটনা। কিন্তু তার জন্য তিনি এনআইএ তদন্তকে সমর্থন জানান না, বলেই জানিয়েছেন বর্ষিয়ান এই কংগ্রেস নেতা।











