অভাবকে জয় করে পরীক্ষায় প্রথম প্রচেষ্টাতেই সফল! সরকারি আধিকারিক হলেন ২৫ বছরের আকাঙ্ক্ষা

Published on:

Published on:

Akansha Rai's Success Story will amaze you.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ পিসিএস ২০২৪-এর ফলাফল প্রকাশের পর উঠে এসেছে এক অনুপ্রেরণামূলক সাফল্যের গল্প (Success Story)। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও কীভাবে কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি একজন মানুষকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে, তারই উজ্জ্বল উদাহরণ বালিয়ার মেয়ে আকাঙ্ক্ষা রাই। মাত্র ২৫ বছর বয়সে প্রথম প্রচেষ্টাতেই পরীক্ষায় সাফল্য পেয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, লক্ষ্য ঠিক থাকলে কোনও বাধাই বড় নয়।

আকাঙ্খা রাইয়ের অসাধারণ সাফল্যের কাহিনি ( Success Story):

২০২৪ সালের ইউপি পিসিএস পরীক্ষার ফলাফলে মোট ৯৪৭টি পদের মধ্যে ৯৩২ জন প্রার্থী সফল হয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, মেধা তালিকার শীর্ষ দশে স্থান করে নিয়েছেন ছয়জন নারী। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, প্রশাসনিক পরিষেবায় নারীদের অংশগ্রহণ ও সাফল্য ক্রমশ বাড়ছে। এই সাফল্যের তালিকায় অন্যতম উজ্জ্বল নাম আকাঙ্ক্ষার, যিনি পঞ্চায়েতি রাজ বিভাগের কার্যনির্বাহী কর্মকর্তা পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: ফের বৃদ্ধি! ডলারের বিপরীতে ক্রমশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় রুপি, জানুন সর্বশেষ দর

বালিয়া জেলার এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে আকাঙ্ক্ষা। তাঁর পক্ষে এই পথচলা মোটেই সহজ ছিল না। তাঁর বাবা রবিশঙ্কর রাই একটি ছোট পার্কিং লট পরিচালনা এবং কৃষিকাজ করে সংসার চালান, আর মা আনু রাই গৃহিণী। আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মেয়ের পড়াশোনায় কোনও খামতি রাখেননি তাঁরা। বাবার কঠোর পরিশ্রমই আকাঙ্ক্ষাকে ছোটবেলা থেকেই অনুপ্রাণিত করেছে বড় কিছু করার জন্য।

শিক্ষাজীবনেও আকাঙ্ক্ষা ছিলেন সমান মেধাবী। কোনও নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুল নয়, বরং স্থানীয় বিদ্যালয় থেকেই পড়াশোনা করে তিনি দশম ও দ্বাদশ শ্রেণিতে জেলায় সেরা ফলাফল করেন। পরবর্তীতে গণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে জননায়ক চন্দ্রশেখর বিশ্ববিদ্যালয়-এ শীর্ষস্থান অর্জন করেন এবং স্বর্ণপদক পান। তাঁর এই ধারাবাহিক সাফল্যই তাকে বড় লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

Akanksha Rai's Success Story will amaze you.

আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে যাওয়া এবার সহজ! স্পেশাল ট্রেন ও কোচ বাড়ানোর বড় সিদ্ধান্ত নিল রেল

এক সাক্ষাৎকারে আকাঙ্ক্ষা জানান, টিনা দাবী-র সাফল্যের গল্প তাঁকে আইএএস অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। প্রথম প্রচেষ্টায় পিসিএস-এ সফল হলেও তিনি এখানেই থেমে থাকতে চান না। ভবিষ্যতে আরও বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই সংগ্রাম ও সাফল্যের কাহিনী (Success Story) নিঃসন্দেহে দেশের অসংখ্য তরুণ-তরুণীর কাছে এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।