বাংলা হান্ট ডেস্ক : শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতায় তল্লাশি অভিযান ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মার্লিন গ্রুপের প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে শহরের একাধিক জায়গায় কেন্দ্রীয় সংস্থার তৎপরতা নজর কেড়েছে। রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনায় শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। আয়কর দপ্তরের (Income Tax Raid) অভিযানের মূলে রয়েছে রাসবিহারী কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) প্রার্থী দেবাশিস কুমার (Debasish Kumar)। তাঁর বাসভবন সহ দুটি কার্যালয় ইতিমধ্যেই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
আয়করের(Income Tax Raid) অভিযানকে কেন্দ্র করে তৃণমূল
তৃণমূল সূত্রে খবর, দেবাশিস কুমারের ওই কাউন্সিলরের অফিস বর্তমানে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে ওই কার্যালয় বালিগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নির্বাচনী কাজে ব্যবহার হচ্ছে বলেই দাবি একাংশের। আয়কর দপ্তরের ওপর অভিযোগ তুলে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বলছেন, “নির্বাচনের ব্লু প্রিন্ট চুরি করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি।” বিরোধী দলের প্রচারণাতেই এই অভিযান চলছে বলে মত তৃণমূল প্রার্থীদের।
তল্লাশি চলাকালীন ভিতরে উপস্থিত ছিলেন ৮৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি অশোক কুমার দাস। তিনি বলেন, “কোনও সিজার হয়নি। ভিতরে আমাদের নির্বাচনী প্রচারমূলক নথি ছিল ওগুলো দেখলেন।”
প্রসঙ্গত, এই তল্লাশি অভিযানটি মার্লিন গ্রুপের জমি ও ফ্লাট সংক্রান্ত প্রতারণা মামলার সঙ্গেই যুক্ত। এদিন সকাল থেকেই কলকাতার অন্তত ছ’টি স্থানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে আয়কর দফতর। অভিযোগ রয়েছে, কিছু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে এই সংস্থার টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল, সেই অর্থের একটি অংশ বেআইনি লেনদেনের মাধ্যমে সাদা করা হচ্ছিল। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও কার্যালয়ে তল্লাশি চলছে। এখনও পর্যন্ত শহরের একাধিক জায়গায় এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে খবর।

আরও পড়ুন : ভোটার তালিকায় নাম নেই, তবুও প্রিসাইডিং অফিসারের ডিউটি—রানাঘাটে শিক্ষিকার ভোগান্তি চরমে
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তল্লাশির ফলাফল কী দাঁড়ায় এবং এর প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

















