বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মিভূত হয়ে যাওয়া আনন্দপুরের (Anandapur) নজিরাবাদের গোডাউনের ধ্বংসস্তূপ যত সরানো হচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে একের পর এক দেহাংশ। জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া ওই দেহাংশ শনাক্ত করার কোন উপায় নেই। সূত্রের খবর,শুক্রবার ওই ধ্বংসস্তূপ থেকে আরও দুজনের পোড়া দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই নিয়ে আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৭। যদিও এখনো পর্যন্ত অনেকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের নামে নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়েছে নরেন্দ্রপুর থানায়।
ছাইয়ের স্তূপে মিলল আরও দেহাংশ, আনন্দপুরে মৃতের সংখ্যা ২৭ (Anandapur)
শনিবার আনন্দপুর ভস্মীভূত কারখানা থেকে আরও দুটি দেহাংশ উদ্ধার করা হল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৭। পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ উদ্ধারকার্য শেষ হবে বলে মনে করছেন তারা। প্রসঙ্গত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর যথারীতে ভস্মীভূত হয়েছে আনন্দপুরের (Anandapur) গোডাউন।

আরও পড়ুন: মেঘের চাদরে ঢাকা স্বপ্নের গ্রাম, শহরের কোলাহল ছেড়ে পৌঁছে যান মাহালদিরামে
সেই ভস্মীভূত গোডাউনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে একের পর এক দেহে টুকরো পাওয়া যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে ময়নাতদন্ত ও ফরেন্সিক এবং ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে উদ্ধারকৃত দেহাংশ গুলো। আর এখনো পর্যন্ত এই নিয়ে মোট ২৭ জনের দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে।
যদিও বৃহস্পতিবার সকালে ও বিকেলে উদ্ধার করা হয় আরও চারজনের দেহ৷ এরই মধ্যে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াও মোমোর সেই গুদামের ম্যানেজার এবং ডেপুটি ম্যানেজারকে নরেন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোরঞ্জন শিট আনন্দপুরের গুদামে ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন। ডেপুটি ম্যানেজার ছিলেন রাজা চক্রবর্তী। ধৃতদের শুক্রবারই বারুইপুর মহকুমা আদালতে হাজির করানো হয় (Anandanpur)।












