বাংলাহান্ট ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর ২৬ বছর বয়সী সফটওয়্যার ডেভেলপার অর্ক মজুমদারের সাফল্যের গল্প (Success Story) এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মাত্র ৩ বছরে বার্ষিক ৩.২ লক্ষ টাকা থেকে ৮০ লক্ষ টাকার বেতনের চাকরি পেয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সকলকে। নিজের কেরিয়ারের এই অভাবনীয় সাফল্যের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে অর্ক আরও জানান, ২০৩১ সালের মধ্যে অবসর নিয়ে ভবিষ্যতে নিজস্ব উদ্যোগ শুরু করার লক্ষ্যও স্থির করেছেন তিনি।
অর্ক মজুমদারের অসাধারণ সাফল্যের কাহিনি (Success Story):
একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, বর্তমানে গুগলে কর্মরত অর্ক মনে করেন, শুধুমাত্র কোম্পানির প্রতি আনুগত্য দেখালে বেতন বৃদ্ধি সবসময় নিশ্চিত হয় না। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, ২৩ বছর বয়সে TCS-এ অ্যাসিস্ট্যান্ট সিস্টেমস ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়, তখন তাঁর বার্ষিক বেতন ছিল মাত্র ৩.২ লক্ষ টাকা। পরে সংস্থার ডিজিটাল প্রোগ্রাম পাস করে পদোন্নতি পেয়ে সেই বেতন বেড়ে প্রায় ৭ লক্ষ টাকায় পৌঁছয়।
আরও পড়ুন:‘আম আদমি’-র হয়ে কথা বলার কারণেই হল কণ্ঠরোধ? নেটমাধ্যমে কী বার্তা দিলেন রাঘব চাড্ডা?
এরপর তিনি ডেটা স্ট্রাকচারস অ্যান্ড অ্যালগরিদমের উপর জোর দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেন। ২০২৩ সালের মধ্যে প্রতিদিন ৫-৬ ঘণ্টা অনুশীলন করে তিনি ৩৮০ টিরও বেশি লিট কোড সমস্যা সমাধান করেন। ২০২৪ সালে নতুন সুযোগের খোঁজে আবেদন শুরু করলেও প্রথম অফার পেতে প্রায় আট মাস সময় লাগে। একাধিক ব্যর্থতার পর তিনি বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপ Kuku FM-এ যোগ দেন, যেখানে তাঁর বেতন বেড়ে দাঁড়ায় বছরে প্রায় ১৪-১৫ লক্ষ টাকা।
এরপর ২০২৫ সালেই আসে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় মোড়, যখন তিনি গুগলে ৮০ লক্ষ টাকার প্যাকেজে যোগ দেন। অর্কের কথায়, এটিই তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। তিনি জানান, চাকরি পাওয়ার পরও কিন্তু তিনি শেখা থামাননি; গ্রাফ, ট্রি এবং ডাইনামিক প্রোগ্রামিংয়ের মতো জটিল বিষয় আয়ত্ত করে তাঁর সমাধান করতে করতে নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন:KKR-এর বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল শব্দের ব্যবহার! অভিষেক শর্মার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ BCCI-র
তবে এই সাফল্যের গল্প (Success Story) নিয়ে নেটমাধ্যমে বিতর্কও কম হয়নি। অনেকেই তাঁর এই এত কম সময়ে বেতনের এই বিপুল বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও অর্কর দাবি, তাঁর এই সাফল্য সম্পূর্ণ বাস্তব এবং যা তাঁর কঠোর পরিশ্রম, ধারাবাহিক অনুশীলন ও সঠিক সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্তের ফল। তাঁর এই যাত্রা ইতিমধ্যেই বহু তরুণ-তরুণীর কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।












