বাংলাহান্ট ডেস্ক: ফের একবার শিরোনামে আম আদমি পার্টি। রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে রাঘব চাড্ডাকে (Raghav Chadha) সরানোকে কেন্দ্র করে দলের অন্দরে চরম বিতর্কের সৃষ্টি। পদ হারানোর পর সরাসরি দলীয় সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আম আদমির স্বার্থে কথা বলি বলেই কি আমার কণ্ঠরোধ করা হল?” সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে রাঘব জানিয়েছেন, আমজনতার স্বার্থে কথা বলার জন্য তাঁকে থামানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি পিছু হটবেন না।
ডেপুটি লিডারের পদ থেকে বহিষ্কারের পর কী বললেন রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadda):
বিগত কয়েক মাসে সংসদে একাধিক জনস্বার্থের ইস্যু তুলে ধরেন তিনি। যার দরুন দ্রুত জনপ্রিয়তাও অর্জন করেন রাঘব। গিগ কর্মীদের অধিকার থেকে শুরু করে, জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা এবং টেলিকম সংস্থাগুলির রিচার্জ সংক্রান্ত অভিযোগ, এরকম একাধিক সব বিষয় নিয়ে সরব হন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তাঁর তোলা একাধিক ইস্যুতে সরকারও দ্রুত পদক্ষেপ করেছে, যা তাঁর জনসমর্থন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
তবে আমজনতার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও দলের অন্দরেই দীর্ঘদিন ধরে তিনি কোণঠাসা ছিলেন বলে জল্পনা শোনা যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, আপের শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এমনকি আবগারি দুর্নীতি মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অর্জন কেজরিওয়ালের সঙ্গে তাঁর কোনও প্রকাশ্য সাক্ষাৎ বা প্রতিক্রিয়াও সামনে আসেনি। এই দূরত্বই দলের অভ্যন্তরীণ অস্বস্তির ইঙ্গিত বলে মনে করছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
Silenced, not defeated
My message to the ‘aam aadmi’
—
खामोश करवाया गया हूँ, हारा नहीं हूँ‘आम आदमी’ को मेरे संदेश pic.twitter.com/poUwxsu0S3
— Raghav Chadha (@raghav_chadha) April 3, 2026
এই পরিস্থিতে বৃহস্পতিবার আচমকাই রাঘব চাড্ডাকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেয় আম আদমি পার্টি। শুধু তাই নয়, দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সংসদে দলের তরফে তাঁকে বক্তব্য রাখার ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই নানা মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং প্রশ্ন উঠছে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়ে।

আরও পড়ুন: গরমের ছুটিতে ঘুরে দেখুন ৭ জ্যোতির্লিঙ্গ, চমকপ্রদ প্যাকেজ IRCTC-র, খরচ কেমন পড়বে?
পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একদিকে রাঘব চাড্ডার (Raghav Chadha) প্রকাশ্য ক্ষোভ, অন্যদিকে দলের হঠাৎই এই কঠোর পদক্ষেপ, এই দ্বন্দ্ব আগামী দিনে আরও গভীর হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আপের ভবিষ্যৎ রাজনীতি এবং নেতৃত্বের ভারসাম্যে এই ঘটনার প্রভাব কতটা পড়বে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।












