বাংলা হান্ট ডেস্ক : সাধুর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী (Bangladeshi Infiltrator), কিন্তু শেষরক্ষা হল না! কোচবিহারের তুফানগঞ্জে এক ব্যক্তিকে ঘিরে এমনই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গেরুয়া পোশাক আর কপালে সিঁদুরের ফোঁটা দেখে প্রথমে তাঁকে সাধু বলেই মনে হয়েছিল। কিন্তু অপরিচিত ওই ব্যক্তির পরিচয় নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধে স্থানীয়দের মনে। এরপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয়।
সাধুর বেশে গ্রেফতার এক অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী (Bangladeshi Infiltrator)
ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর ভারতে প্রবেশ এবং দীর্ঘদিন ধরে এখানে থাকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে তুফানগঞ্জ-২ ব্লকের ভানুকুমারী এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেখানকার একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন ওই ব্যক্তি। তাঁর পোশাক-পরিচ্ছদ ছিল সাধুদের মতো। কিন্তু এলাকায় আগে কখনও তাঁকে দেখা যায়নি বলে সন্দেহ হয় দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
পরিচয় জানতে চেয়ে কথা বলার সময় তাঁর বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়ে বলে দাবি তাঁদের। তাতেই সন্দেহ আরও বাড়ে। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা ওই ব্যক্তিকে আটকে রেখে বক্সিরহাট থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ধৃতের নাম আব্দুল খায়ের চৌধুরী। অভিযোগ, প্রায় ১৫ বছর আগে উত্তর ২৪ পরগনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। তারপর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তুকতাকের কাজ করতেন বলেও জানা গিয়েছে।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। কীভাবে তিনি ভারতে প্রবেশ করেছিলেন, কোথায় কোথায় থেকেছেন এবং ভানুকুমারীতে আসার পিছনে কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁর পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করাও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আরও পড়ুন : ট্রেনে চড়ার পর মুহূর্তেই গন্তব্য! ভারতের ক্ষুদ্রতম রেলযাত্রা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে অসমেও বাংলাদেশি নাগরিকদের গ্রেফতারের ঘটনা সামনে এসেছে। কয়েক দিন আগে গুয়াহাটিতে পুলিশের দুটি পৃথক অভিযানে মোট ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে জানা যায়। কোচবিহারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।














