বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিগত কয়েক মাস ধরে জেনজি আন্দোলনের (GenZ Protest) চাপে পড়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। তাদের আন্দোলনের চাপে পড়েই ইস্তফা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আর এবার এসআইআর (SIR) বিতর্কে জেরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের (Gyanesh Kumar Resign Demand) দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন তারা। শুরু থেকেই বিজেপির (BJP) পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে জেনজিদের এই আন্দোলনের পিছনে মদত দিচ্ছে বিদেশি শক্তি। আর এবার এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। কী বললেন তিনি? চলুন দেখে নেওয়া যাক।
দিল্লির মত অন্তর্ঘাতমূলক আন্দোলনে বিদেশী শক্তি জানালেন দিলীপ ঘোষ
সম্প্রতি এই আন্দোলনের সমর্থনে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের তরফ থেকে জোরালো সমর্থন আসার পর থেকে সেই দাবি নতুন করে বিদেশী ফান্ডিং নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘সিজেপি বা এই ধরনের যে অন্তর্ঘাতমূলক আন্দোলনগুলো চলছে, সারা ভারতবর্ষে তার পিছনে বিদেশী শক্তি, বিদেশী অর্থ আছে। এটা আমরা তো বলেছি এখন অনেকে বলতে আরম্ভ করেছেন, প্রশ্ন তুলছেন। তো সেটা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে এর উৎসাহটা কোথা থেকে আসে। কেন আসে। আর বিদেশি অর্থ আসার যে রাস্তা সেটা বন্ধ করার জন্য রাস্তা তৈরি করা হচ্ছে সেটাতে এরা ভয় পেয়ে গিয়ে বেশি আন্দোলন করছে।’
পুজোর পরেই রাজ্যে শুরু হবে ভোট। পৌরসভার এই ভোট প্রসঙ্গেবিশেষ করে, প্রার্থী বাছাইয়ের প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ সেদিন বললেন, ‘এখানে ইলেকশন তো হতেই থাকে, ইলেকশনের জন্য আমাদের পার্টির একটা বিশেষ পদ্ধতি আছে। সেই অনুযায়ী সিলেকশন হবে। আর সেই প্রক্রিয়াও চালু করেছি আমরা।’
আরও পড়ুনঃ ‘হবে, হবে! প্রমিস, প্রমিস’, অভিষেকের গ্রেফতারি নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
প্রশ্ন ওঠে নতুন মুখ চাওয়া হচ্ছে কিনা তা নিয়েও। জবাবে সরাসরি কিছু না বললেও দিলীপ ঘোষ বললেন, ‘নতুন পুরনো সবই থাকে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকেরা আসেন রাজনীতিতে। অভিজ্ঞতা থাকে, কাজ থাকে, সাফল্য থাকে। সেটাকেও কাজে লাগানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু একেবারে এমন লোককে প্রতিনিধি বানাবো না আমরা যে একেবারে রাজনীতি বোঝে না, সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। পার্লামেন্টের মেম্বার হয়েছেন অথচ জীবনে পার্লামেন্ট দেখল না। তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তো এরকম ভারতীয় জনতা পার্টি করবে না।’
অন্যদিকে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজ আরও একবার শেক্সপিয়ার সরণি থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিজেপি নেতার বক্তব্য ছিল খুবই স্পষ্ট, ‘চলবে, অনেক ব্যাপারে, অনেক কেসের সাথে তিনি যুক্ত আছেন। এখন আদালত যেটা ঠিক মনে করবে সেটা করবে। পুলিশ আছে পুলিশ দেখছেন।’
এছাড়াও রাজ্যের অপর বিরোধী শিবির বামপন্থীদের বিষয়ে চরম কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ এদিন বললেন, ‘কমিউনিস্টদের না আছে রীতি নীতি, না আছে তথ্য, না আছে কোনো সমাজ, না আছে কোন সংবিধান এনারা কিছু মানেন না। সবকিছুর উপরে মনে করেন। তো সেই জন্য যখন কথা বলেন, মানুষকে ভড়কে দিয়ে সবকিছু করার চেষ্টা করেন। দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছেন। এখনও অভ্যাস যায়নি। তো সেই অনুযায়ী ওই স্তরের ব্যক্তির সম্পর্কে কথা বলার সময় ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত।’














