তৃণমূলের অদিতি-দেবরাজের ১২০০ কোটির ‘সাম্রাজ্যের’ হদিশ! প্রমাণ সামনে এনে সবটা ফাঁস করলেন তরুণজ্যোতি

Published on:

Published on:

BJP MLA Tarunjyoti Tewari reveals property details of former MLA Aditi Munshi and her husband
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির (Aditi Munshi) দলীয় কার্যালয় থেকে সম্প্রতি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধারের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শিরোনামে উঠে এলেন অদিতি। এবার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ দিলেন রাজারহাট-গোপালপুরের বর্তমান বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari)। রীতিমতো প্রমাণ সহ জনগণের সামনে সবটা তুলে ধরেছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট তরুণজ্যোতির | (Tarunjyoti Tewari)

শনিবার সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক। সেখানে অদিতি ও দেবরাজের বেশ কিছু সম্পত্তির খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বিধবা ভাতা! জনকল্যাণ শিবিরে কী কী পরিষেবা মিলবে জানুন

সেই সঙ্গেই তরুণজ্যোতি লেখেন, “রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি এবং তাঁর স্বামীর সম্পত্তির কিছু হিসেব দিলাম। এটা কিছুটা দিলাম। বাকি কার বোনের নামে এবং কার মায়ের নামে কতটা আছে সব জানি। এখনও পর্যন্ত আমি যেটা খুঁজে পেয়েছি তার হিসেব ১২০০ কোটি টাকার মতো। কিছুটা অংশ এখানে দিলাম। রাখাল, চিন্টু, পার্থ, গোবিন্দ, বিনু মন্ডল সহ অন্যান্য লোকজনের হিসেবটাও পেয়ে গিয়েছি”।

বিজেপি বিধায়ক আরও লেখেন, “গণতন্ত্রকে যারা খেলা মনে করে মানুষদের সম্পত্তি লুঠ করেছিল, তাঁদের হিসেব হবে এবার। “তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো, উনি উনার প্রাণনাথকে নিয়ে একসাথেই আসবেন”।“

Tarunjyoti Tewari facebook post on Aditi Munshi and Debraj Chakraborty property

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন কীর্তনশিল্পী অদিতি। ২০২১ থেকে রাজারহাট-গোপালপুরের বিধায়ক ছিলেন। তবে ছাব্বিশের ভোটে এই কেন্দ্রে বাজিমাত করেন বিজেপির তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। এবার রাজারহাট-গোপালপুরের বর্তমান বিধায়কই প্রাক্তন বিধায়ক ও তাঁর স্বামীর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ দিলেন।

ইতিমধ্যেই ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে তরুণজ্যোতির পোস্ট। কেউ বিজেপি বিধায়ককে কুর্নিশ জানিয়ে লিখেছেন, “আপনাকে স্যালুট”। কারও আবার দাবি, “সব বাজেয়াপ্ত করা হোক’। শেষমেষ এই জল কোনদিকে গড়ায় সেটাই দেখার।