দোলের পরই রথযাত্রা, ভোটের আগে বাংলায় নতুন কৌশল বিজেপির

Published on:

Published on:

BJP Plans Rath Yatra in South Bengal Ahead of Polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় প্রচার কৌশল নিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। সূত্রের খবর, মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক সাংগঠনিক অঞ্চল থেকে ‘রথযাত্রা’ শুরু করার পরিকল্পনা করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই রাজ্যজুড়ে জোরদার প্রচারে নামতে চাইছে দল।

রাজ্য জুড়ে রথযাত্রা শুরুর ভাবনা বিজেপির (BJP)

বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে, দোলযাত্রা ৩ মার্চ। তার পর থেকেই রাজ্য জুড়ে রথযাত্রা শুরু করার ভাবনা রয়েছে দলের। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে খবর। ভোটকে সামনে রেখে সংগঠনকে চাঙা করা এবং জনসংযোগ বাড়ানোই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। রথযাত্রার প্রসঙ্গে দলীয় মহলে উঠে আসছে অতীতের উদাহরণও। ১৯৯০ সালে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের স্থানে রামমন্দির নির্মাণের দাবিতে ‘রাম রথযাত্রা’ করেছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। সেই ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ধাঁচেই এবার বাংলার ভোটে রথযাত্রার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

গত শনিবার সল্টলেকে দলের কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক বসে। সেখানে নির্বাচনী কৌশল ও প্রচার কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সেই বৈঠকেই রথযাত্রার প্রস্তাবে সিলমোহর পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, ২০১৯, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে বাংলার যেসব কেন্দ্রে বিজেপি ভালো ফল করেছিল, সেই সব এলাকা দিয়েই রথযাত্রার রুট ঠিক হতে পারে। প্রায় ১৫০টি বিধানসভা কেন্দ্রকে প্রাথমিকভাবে নজরে রাখা হয়েছে।

এদিকে, বাংলার নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। মার্চের প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে বলে জোর জল্পনা। তার মধ্যেই মার্চের মাঝামাঝি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে একটি বড় সমাবেশের পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১৫ মার্চ বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই সভায় উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।

More than 150 families leave Trinamool and join BJP in Binnaguri

আরও পড়ুনঃ রাজ্যে কাশির সিরাপ রাখার নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, বড় পর্যবেক্ষণ আদালতের, কোন মামলায়?

জানা যাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া বিজেপির (BJP) রথযাত্রাগুলি শেষ পর্যন্ত কলকাতার ব্রিগেড সমাবেশে এসে মিলিত হতে পারে। নির্বাচনের আগে এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।