বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের (Election) নির্ঘণ্ট এখনও ঘোষণা হয়নি, কিন্তু তার আগেই বাংলার রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। এসআইআর ইস্যুতে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই এবার ভোটের কাজে বাস ও মিনিবাস ব্যবহার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে কড়া বার্তা দিল বাস মালিকদের সংগঠন। আগের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, ভাড়া না বাড়ালে এবার আর বাস ছাড়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল চিঠিতে।
চিঠিতে কী কী ভাড়ার দাবি জানানো হল?
বাস মালিকদের সংগঠনের চিঠিতে যে ভাড়ার হার উল্লেখ করা হয়েছে, তা হল –
- ৪০-এর বেশি আসনযুক্ত বাস: দৈনিক ৪৫০০ টাকা
- ৩০ থেকে ৪০ আসনের বাস: দৈনিক ৪০০০ টাকা
- ৩০ আসনের কম বাস: দৈনিক ৩৫০০ টাকা
- বাতানুকূল (AC) বাস: দৈনিক ৫৫০০ টাকা
এছাড়াও ভোটের (Election) কাজে বাস চালক ও বাসে থাকা কর্মীদের ভাড়ায় নিতে হলে, প্রতিদিন মাথাপিছু ৫০০ টাকা করে দিতে হবে বলে দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের স্পষ্ট বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন যদি এই শর্ত ও ভাড়ার হার মেনে নেয়, তবেই ভোটের কাজে বাস ছাড়া হবে।
আগের ভোটে (Election) ভাড়া নিয়ে তীব্র অভিজ্ঞতা
বাস মালিকদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Election) বাস পিছু ভাড়া ছিল মাত্র ২০০০ থেকে ২৩০০ টাকা। অথচ সেই নির্বাচনের পর বিল জমা দেওয়া হলেও এখনও বহু জেলার বাস মালিকরা তাঁদের প্রাপ্য টাকার অর্ধেকের বেশি পাননি। এই অভিজ্ঞতার কারণেই এবার আগেভাগেই কড়া অবস্থান নিয়েছে বাস মালিকদের সংগঠন।
ওড়িশায় বেশি ভাড়া, বাংলায় কম কেন?
সংগঠনের তরফে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, ওড়িশার মতো রাজ্যে যেখানে নির্বাচন কমিশন অনেক বেশি ভাড়ায় বাস নিচ্ছে, সেখানে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এত কম ভাড়া কেন? এই বৈষম্য মানা হবে না বলেই এবার আগাম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে পর্ষদের নতুন বিজ্ঞপ্তি, এবার বাংলা মাধ্যমের ইন্টারভিউ, কবে?
এই প্রসঙ্গে অল বেঙ্গল বাস-মিনিবাস সমন্বয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাহুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, “নির্বাচনের (Election) জন্য কমিশন বাস নিতেই পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর বিল দেওয়ার পরও বহু জেলার বাস মালিকরা এখনও টাকা পাননি। তাছাড়া এই রাজ্যে বাস ভাড়ার হার খুব কম। সেটা বাড়াতেই হবে।” এই চিঠি পাঠানো হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে।
















