বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) প্রাক্কালে বাতিল হওয়া ভোটারদের নিয়ে বড়সড় স্বস্তির খবর সামনে এল। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত বহু মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিমকোর্ট (Supreme Court)। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটের দুদিন আগে ট্রাইব্যুনালের ছাড়পত্র পেলে সংশ্লিষ্ট ভোটাররা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। সুপ্রিমের নির্দেশে কীভাবে নেওয়া হবে পদক্ষেপ, জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)।
ট্রাইব্যুনালের (Election Tribunal) ছাড়পত্র প্রসঙ্গে সিইও
ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রথম দফার ভোট ২৩ শে এপ্রিল। ওইসব কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ পড়েছে তারা যদি ২১শে এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের থেকে অনুমোদন পান তবে তারা ভোট দিতে পারবেন। ঠিক তেমনই দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচন ২৯ শে এপ্রিল। সেইসব কেন্দ্রের ভোটাররা যদি ২৭ এপ্রিলের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের অনুমোদন পান, তবে তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
সুপ্রিমের নির্দেশের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “ট্রাইব্যুনালে যেভাবে আবেদন যাবে, ১৯ জন বিচারক আছেন, তারা সেইমতো নিষ্পত্তি করবেন। যাঁদের নাম বাতিল হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হলে সেই নামগুলি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।” সিইও-র তরফে বলা হয়েছে, “৯ তারিখ পর্যন্ত তালিকা ফাইনাল করা হয়েছে, এরপর ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যতগুলি নামের নিষ্পত্তি হবে তা তালিকায় যোগ করে দেওয়া হবে। আর সেই সমস্ত ভোটাররা তাঁদের ভোটাধিকার ফিরে পাবেন।”
যদি কারও নাম ট্রাইবুনালের দ্বারা ছাড়পত্র পায় তাহলে সেই ভোটার কিভাবে জানবেন বা সেই নাম ভোটার তালিকায় আপডেট কিভাবে হবে। এই প্রসঙ্গে সিইও বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনকে সেতু বন্ধনের মতো একটা সফটওয়্যার তৈরি করতে হবে যেখানে নামের নিষ্পত্তি হতেই ভোটারদের নাম তালিকায় যুক্ত হতে থাকবে।” বাতিল ভোটাররা কিভাবে জানবেন যে তারা ছাড়পত্র পেয়েছেন। মনোজ আগরওয়াল বলেন, সমস্ত তথ্য বিএলও, ও বিডিওদের কাছে দেওয়া থাকবে। এছাড়াও ওয়েবসাইট থেকে নিজেদের তথ্য জানতে পারবেন ভোটাররা।

আরও পড়ুন : কাজ গেলেও দিতে হবে ভোট! ভিনরাজ্য থেকে বঙ্গে ফিরছেন হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক
উল্লেখ্য, রাজ্যে প্রায় ৯১ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে জানা গেছে। সেই ভোটারদের ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য
১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা এটি প্যানেল গঠন করেছেন যারা ট্রাইবুনালের নথি যাচাই করছেন। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশ বহু ‘বাতিল’ ভোটারের জন্য নতুন করে আশা জাগিয়েছে।

















