তারাতলা-কাণ্ডের জেরে কলকাতার সব নির্মাণকাজ বন্ধ! কতদিনের জন্য? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

Published on:

Published on:

CM Suvendu Adhikari orders to stop all construction work in Kolkata after Taratala warehouse collapse
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বুধবার এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। এদিন দুপুরে তারাতলার একটি নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ আচমকা ভেঙে পড়ে (Taratala Warehouse Collapse)। এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শহর কলকাতার সব নির্মাণকাজ আপাতত বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

কতদিন নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী | (Suvendu Adhikari)

এদিন বিকেলে তারাতলার ঘটনাস্থলে পরিদর্শনের পর নবান্নে চলে যান শুভেন্দু। সেখানে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, তারাতলার ঘটনার পর কলকাতা পুরসভার অন্তর্ভুক্ত এলাকার সব নির্মাণকাজ আপাতত স্থগিত রাখা হবে। আগামী ৩১ জুলাই অবধি কাজ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুনঃ চার মাসের সন্তান রয়েছে, অদিতিকে আগাম জামিন দিল হাইকোর্ট! ধাক্কা খেলেন স্বামী দেবরাজ

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আগের সরকারের আমলে যে সকল নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি আবার খতিয়ে দেখা হবে। স্পেশ্যাল টিম দিয়ে অডিট করানো হবে। সবকিছু যদি ঠিক থাকে, আগামী ১ আগস্ট থেকে ফের কাজ শুরু করা যাবে। বর্তমানে কলকাতার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও আগামীদিকে হাওড়া ও বিধাননগরেও একই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শুভেন্দু জানিয়েছেন, পূর্ত দফতর, কলকাতা পুরসভা, সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ, দমকল বিভাগ ও কেএমডিএ প্রতিনিধিদের নিয়ে টিম বানানো হবে। নেতৃত্বে থাকবেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। এছাড়া যে সকল জায়গায় পোর্ট ও মেট্রো অথরিটির দরকার হবে, তাঁদের নিয়ে অডিট কমিটি বানানো হবে। তবে ৩১ জুলাই অবধি কলকাতার সব নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও হাসপাতাল সহ অন্যান্য জরুরি ক্ষেত্রে নির্মাণকাজ এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে বলে জানানো হয়েছে।

Suvendu Adhikari

মুখ্যমন্ত্রী জানান, তারাতলা-কাণ্ডে সরকার কী কী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, হতাহতদের পরিবারকে কত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় জানাবেন। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা জানিয়েছেন, ত্রুটিযুক্ত প্ল্যান ছিল।

এদিন দুপুরে তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামের ছাদ ভেঙে পড়ার পর তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু করে দমকল ও পুলিশ। পরবর্তীতে উদ্ধারকাজে হাত লাগায় সেনা। শুভেন্দু জানিয়েছেন, এখনও অবধি এই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতরা এসএসকেএমে চিকিৎসাধীন। এখনও ভিতরে বেশ কিছু মানুষ জীবিত অবস্থায় আটকে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে। তাঁদের জন্য জল ও অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।