বাংলাহান্ট ডেস্ক : দৈনন্দিন খাবারে প্রোটিনের এক উৎকৃষ্ট উৎস হল ডাল। সব রকমের ডালেরই (Cooking Tips) নিজস্ব পুষ্টিগুণ রয়েছে। দেশে হরেক রকমের ডাল পাওয়া যায়। মুগ, মুসুর, বিউলি, অড়হর থেকে কালো মুগ ডাল, রাজমাতেও থাকে ভরপুর প্রোটিন।
ডালে (Cooking Tips) থাকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ
পুষ্টিবিদরাও রোজের সুষম আহারে ডাল রাখার পরামর্শ দেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ডালে থাকা এত পুষ্টিগুণ শুধুমাত্র একটি ভুলেই সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ যে ডাল বাড়িতে রান্না করে খাচ্ছেন তাতে আদৌ প্রোটিন থাকছেই না।

এই ভুল করেন অনেকে: ডাল রান্না করার সময় অনেকে শুধুমাত্র জল দিয়ে ধুয়েই কুকারে দিয়ে দেন। রাজমা, মটর, গোটা মুগ বা কাবলিছোলার মতো ডাল গুলি সেদ্ধ হতে সময় লাগে। তাই এই ডাল গুলি জলে ভিজিয়ে রাখতে হয়। কিন্তু মুগ, মুসুর বা বিউলির ডাল (Cooking Tips) ভিজিয়ে রাখা হয় না সাধারণত। তবে নিয়ম বলছে, যেকোনো ডাল রান্না করার আগে অন্তত আধ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা উচিত।
আরও পড়ুন : উৎসবের মরসুমে রেলে সুখবর! মেয়াদ বাড়ল ২ জোড়া ফেস্টিভ্যাল স্পেশাল ট্রেনের
কীভাবে সেদ্ধ করবেন ডাল: ভিজিয়ে রাখা ডালের জল আর ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ডাল ভেজানো জলে থাকে ফাইটিক অ্যাসিড। এতে শরীরে আয়রন, জিঙ্ক এবং ক্যালশিয়াম শোষণ হয় না। ডাল ভিজিয়ে রেখে রান্না করলে বদহজমের সমস্যা কমে। পাশাপাশি ডালের পুষ্টিগুণ শোষণ করাও সহজ হয়।
আরও পড়ুন : ১ কেজি মাংস রান্নায় কখন দেবেন দই? পাকা রাঁধুনিরাও এই ভুল করেন
ডাল সেদ্ধ করার সময় কুকারে দেওয়ার পরেই ঢাকা বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। ডাল কিছুক্ষণ ফুটে উঠলে উপরের ফেনার মতো আস্তরণ ফেলে দিতে হবে। এই ফেনায় স্যাপোনিন থাকায় তা সহজে হজম হয় না।













