বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে বকেয়া ডিএ। পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত মামলা সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) বিচারাধীন। মামলার শেষ শুনানিতে সরকার পোষিত ক্ষেত্রের কর্মচারীদের বকেয়া না পাওয়ার বিষয়টি জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয় সর্বোচ্চ আদালতে। অভিযোগ, সরকারি কর্মচারীরা বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) পেতে শুরু করলেও গ্রান্ট ইন এইড-রা এখনও একটা টাকাও পাননি। কবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে এরিয়ার দেবে সরকার? এই প্রশ্ন যখন উঠতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ই সামনে এল বড় আপডেট।
গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া DA নিয়ে জট | Dearness Allowance
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএ পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু ‘বঞ্চিত’ শিক্ষক, অধ্যাপক, পুর ও পঞ্চায়েত, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীরা। এখনও বকেয়া ডিএ পাননি সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা। এই নিয়ে অভিযোগ তুলে সম্প্রতি মামলাও দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে।
রাজ্য সরকারের তরফে গ্রান্ট ইন এইড-দের নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। তবে সূত্র মারফত খবর, গ্রান্ট–ইন–এড কর্মীদের ডিএ পেতে অসুবিধার জায়গা তাঁদের ম্যানুয়াল সার্ভিস রেকর্ড। এর আওতায় থাকা যে সব সরকারি কর্মী ব্যাঙ্ক থেকে পেনশন তোলেন, তাঁদেরও একটা বড় অংশের সার্ভিস রেকর্ডও সরকারের কাছে নেই বলে জানা যাচ্ছে।
সম্প্রতি এই কর্মীদের বকেয়া নিয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ জানান, “ওয়ার্কচার্জ কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বললেন পোষিতদের বকেয়া মিটিয়ে দেবেন।” তবে সূত্রের খবর, ইচ্ছা থাকলেও ম্যানুয়াল সার্ভিস রেকর্ড থাকায় এই কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে পারছে না রাজ্য সরকার।
এই জট খুলতে গত সপ্তাহে রাজ্য সরকার গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের জন্য একটি পোর্টাল চালু করেছে রাজ্য। যেখানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে কর্মীর সার্ভিস বুক ও তিনি কত টাকা ডিএ বাবদ পাবেন, সেই হিসেব জানাতে বলা হয়েছে। সেই হিসেব খতিয়ে দেখে কোনও ভুল–ত্রুটি না থাকে, দ্রুত সেই কর্মীর বকেয়ার টাকা মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি দেখবে অর্থ দপ্তর।

আরও পড়ুন: রবিবার শিয়ালদহ ডিভিশনে ট্রেন চলাচলে প্রভাব! বাতিল একগুচ্ছ লোকাল, দেখুন তালিকা
তবে পোর্টাল চালু হলেও কত সময় পরে গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীরা হাতে ডিএ পাবেন সেই প্রশ্নের উত্তর অধরা। এত বিপুল সংখ্যক কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তের মহার্ঘ ভাতার হিসেব সঠিকভাবে করতে অনেকটাই সময় লেগে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে নবান্ন সূত্রে খবর, সম্প্রতি পোর্টাল চালু হওয়ায় গোটা প্রক্রিয়ায় নিঃসন্দেহে গতি এসেছে।













