বাংলা হান্ট ডেস্কঃ এপ্রিল মাসে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতনের সঙ্গে ৪% ডিএ (Dearness Allowance) বাড়ার কথা থাকলেও, সেটি আদৌ মিলবে কি না তা এখন স্পষ্ট নয়। কারণ নির্বাচন চলার জন্য এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি দরকার। সেই অনুমতি এখনও না আসায় বেতন বিল তৈরির কাজই আটকে গেছে, আর সেখান থেকেই তৈরি হয়েছে এই অনিশ্চয়তা।
ডিএ (Dearness Allowance) বৃদ্ধি নিয়ে অনিশ্চয়তা
প্রতি মাসে নির্দিষ্ট সময়ে সরকারি কর্মীদের বেতন বিল এইচআরএমএস সিস্টেমে আপলোড করা হয় এবং পরে তা ট্রেজ়ারিতে পাঠানো হয়। কিন্তু এবার সেই প্রক্রিয়ায় জট পড়েছে। যাঁরা বেতন বিল তৈরি করেন, তাঁরাও ঠিক বুঝতে পারছেন না—বর্ধিত ডিএ ধরে বিল বানাবেন, নাকি পুরনো হিসেবেই করবেন।
সোমবার ছিল বিল তৈরির শেষ দিন, কিন্তু এখনও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি বলে খবর। আশা করা হচ্ছে, যদি কয়েক দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি আসে, তাহলে নতুন করে বর্ধিত ডিএ (Dearness Allowance) ধরে বিল তৈরি করা যেতে পারে। তবে আপাতত সেই সম্ভাবনা খুবই কম বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে রাজ্যের তরফে আবেদন ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সেখান থেকে দ্রুত ছাড়পত্র আসবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা। কারণ তাঁদের বেতন বিল সাধারণত মাসের ১০ তারিখের মধ্যেই তৈরি হয়ে যায়। ফলে পরে অনুমতি এলেও এই মাসে তাঁদের বর্ধিত ডিএ (Dearness Allowance) পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। উল্লেখ্য, বাজেটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪% ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন সংক্রান্ত বিধিনিষেধের জন্য সেই সিদ্ধান্ত এখন কার্যকর করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ বন্দুক কেনা থেকে ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন, ধৃত জয়কে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ED-র
সরকারি কর্মীদের বেতন সাধারণত মাসের শেষের আগেই দেওয়া হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে করা হচ্ছে, এই মাসে তাঁদেরও বাড়তি ডিএ (Dearness Allowance) পাওয়া খুবই কঠিন হতে পারে।












