বাংলা হান্ট ডেস্ক: সামনেই আসছে বিধানসভা নির্বাচন। অনেকেই চলতি বছর প্রথম এই নির্বাচনে ভোট দেবেন। আবার অনেকে কোন কারনে হয়তো ভোটার কার্ড হারিয়ে ফেলেছেন। পাশাপাশি কারো কারো ভোটার কার্ডের অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি যদি আপনারও হয়ে থাকে, তাহলে আপনি আর ঘন্টা পর ঘন্টা লাইনে না দাঁড়িয়ে বাড়িতে বসেই কয়েক মিনিটের মধ্যেই সহজে ভোটার কার্ড ডাউনলোড করে নিতে পারবেন (Digital Voter Id)। কিভাবে এই কাজটি করবেন তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
ভোটার কার্ড অনলাইনে ডাউনলোড করার পদ্ধতি জানুন (Digital Voter Id)
প্রথমত আপনি যে ভোটার কার্ডটি অনলাইনে ডাউনলোড করতে চাইছেন তার নাম হলো ই এপিক কার্ড। আর নির্দিষ্ট করে বললে ইলেকট্রনিক ভার্সন অব ইলেকটর্স ফটো আইডেন্টিটি কার্ড। এই কার্ড অনলাইন থেকেই ডাউনলোড করা যায়। তারপর আপনি আপলোড করে রাখা ডিজি লকারে রাখতে পারেন। অথবা চাইলে আপনি সেটাকে প্রিন্ট আউট বার করে নিতে পারেন (Digital Voter Id)।

আরও পড়ুন: দিঘা যাত্রীদের জন্য সুখবর! সাঁতরাগাছি থেকে প্রতিদিন মিলবে ট্রেন, দেখে নিন টাইম টেবিল
কিভাবে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করবেন তার পদ্ধতি জানুন:
এর জন্য প্রথমেই আপনাকে ন্যাশনাল ভোটার সার্ভিস পোর্টাল বা https://voters.eci.gov.in/-এ গিয়ে নিজেকে রেজিস্টার করতে হবে। সেখানে গিয়ে লগইন করুন। এরপর আপনাকে মোবাইল নম্বর, পাসওয়ার্ড এবং ক্যাপচা কোড দিতে হবে। তারপর ক্লিক করুন রিকোয়েস্ট ওটিপি বাটনে। এরপর আপনি মোবাইলে একটি ওটিপি পাবেন। সেটা দিয়ে দিন নির্দিষ্ট জায়গায়। তারপর ভ্যারিফাই লগইন করুন।
তারপর অপনাকে ই-এপিক কার্ড ডাউনলোড ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। সেখানে ক্লিক করার পর এপিক নম্বর বা ফর্ম রেফারেন্স নম্বর অপশন সিলেক্ট করুন। এবার সেই মতো এপিক নম্বর বা ফর্ম রেফারেন্স নম্বর দিন। সেই সঙ্গে সিলেক্ট করতে হবে স্টেট বা রাজ্যের নাম। এবার সার্চে ক্লিক করুন।
তারপরআপনি এপিক নম্বর ভোটার আইডি কার্ডে দেখতে পারবেন। আর রেফারেন্স নম্বর দেখা যাবে ফর্ম ৬-এর অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপে।
আপনি সার্চ ক্লিক করার পরও স্ক্রিনে ভেসে উঠবে ভোটার কার্ড। তারপর সেন্ড ওটিপি বাটনে ক্লিক করুন। যদি মোবাইল নম্বর আপডেটেড থাকে, তাহলে সেন্ড ওটিপি বাটনে ক্লিক করুন। তারপর ওটিপি দিন এবং ভেরিফাই করুন।এবার ডাউনলোড ই-এপিক বাটনে ক্লিক করুন। ব্যস, তাহলেই কাজ হবে।
এর জন্য আর কোন কোন ডকুমেন্ট নিয়ে ভোট দেওয়া যাবে?
এরজন্য আপনাকে যে সমস্ত ডকুমেন্টগুলোর সাথে রাখতে হবে তা হল:
আধার কার্ড
পাসপোর্ট
ড্রাইভিং লাইসেন্স
প্যান কার্ড
ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ফোটযুক্ত পাসবুক
MNREGA-এর জবকার্ড
ফটোযুক্ত কোনও পেনশন ডকুমেন্টস
সরকারের ইস্যু করা কোনও সার্ভিস আইডি কার্ড
হেলথ ইনস্যুরেন্স স্মার্ট কার্ড (Digital Voter Id)













