অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় মেগা আয়োজন! পান্ডুয়ার গ্রামে প্রথমবার দুর্গাপুজো করবেন মহিলারা

Published on:

Published on:

Durga Puja organized with Annapurna Yojana money in Pandua village
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যের মহিলাদের স্বাবলম্বী করতে অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) চালু করেছে বিজেপি সরকার। এই প্রকল্পের (Government Scheme) মাধ্যমে যোগ্য মহিলাদের মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এবার সেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকাতেই হুগলির পান্ডুয়ার এক গ্রামে প্রথমবারের জন্য দুর্গাপুজো হবে।

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় দুর্গাপুজো মহিলাদের | (Annapurna Yojana)

পান্ডুয়ার সিমলাগড় গোয়ারা হাটপুকুর গ্রামে এত বছর কোনও দুর্গাপুজো হত না। তবে এই বছর অন্নপূর্ণা যোজনা পেয়ে পরিস্থিতি বদলেছে। মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা করে পেয়ে দশভূজার আরাধনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গ্রামের মহিলারা। সরকারি অনুদান, চাঁদা ছাড়া, শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা যোজনার টাকায় এই পুজো করা হবে।

আরও পড়ুনঃ সুদ ছাড়াই লোনে কেনা যাবে গ্যাস সিলিন্ডার! কারা সুবিধা পাবেন জানুন

পান্ডুয়ার এই গ্রামে প্রত্যেক বছর মহা সমারোহে কালীপুজো হয়। এই বছর প্রথমবার মাতৃশক্তি কমিটির পরিচালনায় দুর্গাপুজো হবে। গ্রামের মহিলারা জানান, বিগত দু-তিন মাস ধরে তাঁরা সকলে ৩ হাজার টাকা করে পেয়েছেন। ফলে টাকা নিয়ে তাঁরা একেবারেই ভাবিত নন।

সিমলাগড় গোয়ারা হাটপুকুর গ্রামের মোট ৬০ জন মহিলা ৩ হাজার টাকা করে দিয়ে মোট ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার বাজেটে এই দুর্গাপুজো করছেন। সোমবার খুঁটিপুজো হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পান্ডুয়ার বিধায়ক তুষার মজুমদার।

এই বিষয়ে বিধায়ক বলেন, “রাজ্যে এমন অনেক পুজো কমিটি রয়েছে, যারা সরকারের অনুদান নিয়ে পুজো করছে। তবে এই পুজো কোনও অনুদান ছাড়া হচ্ছে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দিয়ে মহিলারা নিজের ক্ষমতায় পুজো করছেন।“

কণিকা মণ্ডল নামে এক পুজো আয়োজনকারী মহিলা বলেন, “এই বছর আমরা প্রথম দুর্গাপুজো করছি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার গত চার মাসে ৩ হাজার টাকা করে অন্নপূর্ণা যোজনা দিয়েছেন। ৬০ জন মহিলা মিলে এক মাসের ৩ হাজার টাকা করে দিয়ে পুজো করছি। নারীরা সব পারে। আমরা যারা পুজো করছি, প্রত্যেকে গৃহবধূ। আমরা কেউ চাকরি করি না। তাই সরকারের দেওয়া এই ভাতা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি।“

annapurna yojana(100)

সিমলাগড় গোয়ারা হাটপুকুর গ্রামের দুর্গাপুজো অন্নপূর্ণা যোজনা পাওয়া মহিলারা যেমন এগিয়ে এসেছেন, তেমনই এখনও অবধি পাননি, এমন মহিলাও এগিয়ে এসেছেন। গ্রামের বুকে প্রথমবার দশভূজার আয়োজন ঘিরে খুশির হাওয়া বইছে। পুজো দিনগুলোয় বাইরে না গিয়ে গ্রামেই থাকবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।