সিনিয়র তারকাদের খেলিয়েও লাভ হলো না! ইস্টবেঙ্গলের তরুণ বাঙালি ব্রিগেডের দাপটে ম্লান তারকাখচিত মোহনবাগান

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ লক্ষ্য ছিল ডুরান্ড কাপ ফাইনালে অপমানজনক ৪-১ ফলে হারের বদলা নেওয়া। সেই উদ্দেশ্যে একাধিক সিনিয়র দলের ফুটবলারকে তড়িঘড়ি রেজিস্ট্রেশন করানো হয় কলকাতা লিগের (CFL 2026) জন্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও একাধিক সিনিয়র ফুটবলার খেলিয়েও কলকাতা লিগে ১১ জন বাঙালি নিয়ে মাঠে নামা ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) বিরুদ্ধে ড্র করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো মোহনবাগানকে (Mohun Bagan)।

এদিন মোহনবাগান সিনিয়র দল থেকে মনবীর, সাহাল, আপুইয়া, মেহতাব, রাহুল ভেকে, শুভাশীষদের মাঠে নামিয়েছিল মোহনবাগানের কলকাতা লিগের কোচ বাস্তব রায়। লক্ষ্য ছিল দ্রুত একাধিক গোল তুলে নেওয়া। সেই লক্ষ্যে কিছুটা সফলও হয়েছিল তারা। প্রথমার্ধে মনবীরের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল মোহনবাগান। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ব্রিগেড এরপর আর গোলের সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি।

আরও পড়ুন: নিউজিল্যান্ড সফরের আগে বড় সমস্যায় ভারত! এই ধরণের ক্রিকেটারের অভাব ভোগাতে পারে শুভমান গিল-দের

দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন ইস্টবেঙ্গলের তরুণ ফুটবলাররা। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি হয়। একবার বল বারেও লাগে। শেষপর্যন্ত ৬৩ মিনিটে কর্ণার থেকে উড়ে আসা ক্রসে নিখুঁত হেড করে ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরান বিলাল। এরপর ৮৩ মিনিটে অসাধারণভাবে একটি গোল বাঁচিয়ে প্রথম গোলটি হজম করার ক্ষেত্রে নিজের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করেন ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক গৌরব। শেষপর্যন্ত ৯০ মিনিটে ১-১ ফলে ম্যাচ শেষ হয় এবং গ্রূপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই পরবর্তী রাউন্ডে পৌঁছায় ইস্টবেঙ্গল।

একসময় ভাবা হয়েছিল ডেভিড, এডমুন্ড সহ আরও কিছু সিনিয়র ফুটবলারকে কলকাতা লিগের ডার্বির কথা মাথায় রেখে দলে রেজিস্টার করানো হবে। কিন্তু পরবর্তীতে সেই আইডিয়া থেকে সরে আসে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। কারণ সিনিয়র দলের কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস গোটা কলকাতা লিগে দাপিয়ে খেলা জুনিয়র ফুটবল দলের ওপরেই ভরসা রাখতে চেয়েছিলেন। আর এই বড় ম্যাচে মোহনবাগানকে আটকে তার সেই ভরসার মান রাখলো জুনিয়ররা।

আরও পড়ুন: দলীপ ট্রফি ফাইনালে সেঞ্চুরি করে হুঙ্কার! সব ফরম্যাটে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে তুলতে চান ঈশান

অপরদিকে মোহনবাগানের কলকাতা লিগে টানা ব্যর্থতার দায় নিয়ে এদিন বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুনিয়র দলের কোচ বাস্তব রায়। এদিন ম্যাচের শেষে ব্যর্থতার দায় নিয়ে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। অপরদিকে ইস্টবেঙ্গল জুনিয়র দলের কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাসকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সমর্থকরা। তবে এই ফলাফলকে কঠিন পরিশ্রমের ফসল বলে মনে করছেন অর্চিষ্মান।