বাংলাহান্ট ডেস্ক : ভোটমুখী বাংলায় পরপর ইডি সিবিআই (ED-CBI) অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। এরপর এক সপ্তাহও কাটেনি। কলকাতায় ইডি এবং সিবিআই এর সম্ভাব্য অভিযান ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎকণ্ঠার পরিস্থিতি।
ভোটের আগেই ইডি-সিবিআই (ED-CBI) হানা?
সূত্রের তরফে দাবি করা হচ্ছে, গত কয়েক দিনে নাকি দুশোর বেশি তদন্তকারী অফিসার এসেছেন কলকাতায়। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারি হস্টেল এবং আরও কিছু হোটেলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে তাঁদের। আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে, তৃণমূল এবং বিজেপির একাংশে এমনটাও নাকি রটে গিয়েছে বলে খবর।

মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে: এর আগে লাউডন স্ট্রিট এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে যখন ইডি তল্লাশি হয় তখন ফেডারেল তদন্ত এজেন্সির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সেই মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে পুলিশ কর্তাদের নাম। সেই সূত্র ধরেই কি কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সিগুলির সম্ভাব্য অভিযান এগোবে? তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও অভিযান হতে পারে।
আরও পড়ুন : পুণ্যার্থীদের জন্য পরপর চমক, গঙ্গাসাগর অভিমুখে ট্রেন আরও বাড়াল ভারতীয় রেল
শাসক দলে উৎকণ্ঠা: উল্লেখ্য, অতীত জমানায় ইডি এবং সিবিআই (ED-CBI) অভিযান সংক্রান্ত গোপনীয়তা জোরালো ছিল। তবে এখন অভিযোগ উঠছে, ভোটের আগে এমন অভিযানের সঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মিশে গিয়েছে। এদিকে শাসক দলের একাংশের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, কয়লা পাচার এবং বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে তিনজন মন্ত্রীকে ভোটের আগেই গ্রেফতার করা হতে পারে। পাশাপাশি গুঞ্জন, রাজ্য রাজনীতির এক বড় নেতার আপ্ত সহায়কের উপরেও রয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজর।
আরও পড়ুন : দীর্ঘ বিবেচনার পর কর্মীদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের, বছর শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ দপ্তর
অন্যদিকে বিজেপির অন্দরে আবার উলটো চিত্র। পদ্ম শিবিরের নেতাদের উৎসাহ রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের কার কার বিরুদ্ধে কী অভিযান বা তদন্ত হবে। তবে বেশ কিছু আমলা এবং পুলিশ কর্তা নজরে রয়েছেন বলে খবর।












