বাংলা হান্ট ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে। এরই মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন ও যাচাই প্রক্রিয়ায় ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে এক কোটি ৫২ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ১ কোটি ৩৯ লক্ষ ভোটারের শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। এসআইআর (SIR) এর শুনানি পর্বে জমা পড়া নথি গ্রহণযোগ্য কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য মোতায়ন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক মাইক্রো অবজারভার। মাইক্রো অবজারভারের সংখ্যা বর্তমানে ১৭ হাজারের বেশি।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন
সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়ে দিয়েছিলেন ২১ ফেব্রুয়ারি এর আগে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হচ্ছে না। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করার চেষ্টা হবে বলেও জানান তিনি। দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে আজ মঙ্গলবার জানিয়ে দেওয়া হলো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিয়ারিং পর্ব চলবে, ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে নথি স্ক্রুটিনি আর তারপর সব দিক খতিয়ে দেখে ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা।
২৮ অক্টোবর থেকে পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিতে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর ঘোষণা করে ছিল নির্বাচন কমিশন। ৪ নভেম্বর থেকে বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম বিলি করা শুরু করেছিলেন। সাধারণ মানুষকে এসআইআর এর কারণে অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলে শাসক দল থেকে বারবারই অভিযোগ জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:ব্লু লাইন নয়, এবার মেট্রো থমকে সেন্ট্রাল পার্ক স্টেশনে, ইস্ট-ওয়েস্ট লাইনে চরমে দুর্ভোগ
এখন এসআইএর কাজ অনেকটা মিটে আসলেও কিছু কিছু জায়গায় বাকি। সেই সকল জায়গায় এখন শুনানি চলছে। সেক্ষেত্রে ৭ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল প্রথম থেকেই। পরে তা পিছিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি করা হয়েছিল এবং এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন:লক্ষীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকা শুরু! আপনার অ্যাকাউন্টে পৌঁছল কি? এই পদ্ধতিতে যাচাই করুন এক্ষুনি

তৃণমূল এসআইআর প্রক্রিয়ায়, আগে থেকেই অভিযোগ করেছে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাম কাটা হচ্ছে। ভোটার তালিকা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তবে কমিশন বারবারই নিশ্চিত করতে চেয়েছে যে যোগ্য ভোটারদের কখনোই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না। যে গ্রুপ বি অফিসারদেরকে নেওয়া হয়েছিল, তারা যদি কাজে দক্ষ হন তাহলে ইআরও না হলে অ্যাসিস্টেন্ট ইআরও হিসাবে নিয়োগ করা হবে। অন্যথায় তাদের মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজ করতে হবে বলে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন।












