ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলার ফর্মে বড় বদল! এবার মা-বাবার এই তথ্য চাইছে নির্বাচন কমিশন

Published on:

Published on:

Election Commission makes big change in new voter form 6
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকায় নতুন ভোটারের (New Voter) নাম তুলতে হলে ফর্ম ৬ ফিল আপ করতে হয়। এবার তাতেই বড় বদল আনল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ফর্ম ৬-এর অনলাইন সংস্করণে একটি নতুন অংশ যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে আবেদনকারীর মা-বাবার সম্বন্ধে একটি তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।

নতুন ভোটারদের জন্য জরুরি খবর | (New Voter)

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ফর্ম ৬-এর অনলাইন সংস্করণে জে ও কে অংশের মাঝে একটি নয়া ডিক্লেরেশন ফর্ম যুক্ত করা হয়েছে। সেখানে আবেদনকারী নতুন ভোটারের মা-বাবার নাম শেষ এসআইআরে ছিল কিনা তা জানাতে হবে। শনিবার নির্বাচন কমিশনের ‘ECINET’ ওয়েবসাইটে এটি দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাই ‘কলকাতা চলো’র ডাক! কিন্তু কলকাতার কোথায়? কালীঘাট তৃণমূলের পোস্টারে ধোঁয়াশা!

একইসঙ্গে ওই রিপোর্টে দাবি, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা মূল ফর্ম ৬-এ (অফলাইন) এই নতুন অংশ নেই। এছাড়া অভিযোগ, অনলাইনের ক্ষেত্রে এই অংশটি পূরণ করা বাধ্যতামূলক না বলা হলেও এটি পূরণ না করলে আবেদনকারীরা পরবর্তী অংশে যেতে পারছেন না।

রিপোর্ট বলছে, ফর্ম ৬-এর এই নতুন অংশে আবেদনকারীকে ৩টি বিকল্প দেওয়া হচ্ছে। প্রথম, আবেদনকারীর নাম পূর্ববর্তী এসআইআরের ভোটার লিস্টে রয়েছে। দ্বিতীয়, আবেদনকারী মা, বাবা, দাদু কিংবা ঠাকুমার নাম পূর্ববর্তী এসআইআরের ভোটার লিস্টে রয়েছে। তৃতীয়, আবেদনকারী কিংবা তাঁর মা-বাবা কারও নামই পূর্ববর্তী এসআইআরের ভোটার লিস্টে নেই।

জানা গিয়েছে, কোনও আবেদনকারী যদি প্রথম কিংবা দ্বিতীয় বিকল্প বেছে নেন, তাহলে তাঁর থেকে আরও বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে। তাঁকে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের নাম, বুথ নম্বর ও ভোটার লিস্টে ক্রমিক নম্বর জানাতে হবে। তৃতীয় বিকল্প বেছে নিলে এসব জানতে চাওয়া হচ্ছে না। তবে সেক্ষেত্রে আবেদনের কী হবে সেই বিষয়ে ওয়েবসাইটে সুস্পষ্টভাবে কিছু জানানো নেই।

এদিকে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের (১৯৫০) ২৮ নং ধারা অনুসারে, ভোটার লিস্টে নাম তোলা থেকে শুরু করে এই বিষয়ক নিয়ম বানানো বা নীতি সংশোধন করার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে থাকে। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই নিয়ে পরামর্শ করে কেন্দ্র সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির দ্বারা এই আইন কার্যকর করার জন্য দরকারি নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।

Election Commission makes change in new voter form 6

সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে কার্যত একই কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের প্রাক্তন দু’জন শীর্ষ আধিকারিক। তাঁদের কথায়, ফর্ম ৬-এ কোনও বদল আনার ক্ষেত্রে অন্তত আইন মন্ত্রকের সংশোধনী ও সরকারি বিজ্ঞপ্তি লাগে। নির্বাচন কমিশন কখনওই একতরফাভাবে ফর্মে বদল আনতে পারে না।

নতুন ভোটারদের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম ৬-এর অনলাইন সংস্করণে বদল আনার এই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তীব্র জলঘোলা শুরু হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি কমিশন।