ভোটের আগে শ্রীজাতর গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

Published on:

Published on:

Election Commission opens up about arrest warrant for Srijato Bandopadhyay
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নির্বাচনী আবহে এক চাঞ্চল্যকর খবরে সরগরম হয়ে উঠেছিল রাজনৈতিক মহল। জনপ্রিয় কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Srijato Bandopadhyay) বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই নানা মহলে শুরু হয় বিতর্ক।

কবি শ্রীজাতর (Srijato Bandopadhyay) গ্রেফতারি প্রসঙ্গে কমিশন

জানা গেছে, একটি পুরনো মামলার সূত্র ধরেই নাকি এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যদিও ঘটনাটি নতুন নয়, তবুও নির্বাচনের মুখে এমন পদক্ষেপের খবর সামনে আসায় তা বিশেষ আলোচ্য বিষয় হয়ে ওঠে। অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে নির্বাচনী প্রভাব থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুসারেই নাকি এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশ কার্যকর করতে পুলিশও সক্রিয় হয়েছে। কমিশনের তরফে যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে ভোটের মতো স্পর্শকাতর সময়ে কোনও মন্তব্য বা উপস্থিতি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকলে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। সেই কারণেই পুরনো মামলার ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও ব্যাখ্যা উঠে আসে।

তবে এই সমস্ত দাবিকে সম্পূর্ণভাবে নস্যাৎ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত স্পষ্ট ভাষায় জানান, ‘এটা একটা গুজব। কেউ ছড়িয়েছে। কমিশনের তরফে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা যায় না। আমরা কোর্টকে এরকম কিছু জানাইনি।’এদিকে, গোটা বিতর্কের মাঝে এখনও পর্যন্ত কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একটি গুজব কীভাবে নির্বাচনের আবহে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ও বিতর্কের জন্ম দেয়, এই ঘটনাই তার সাম্প্রতিক উদাহরণ।

Election Commission opens up about arrest warrant for Srijato Bandopadhyay

আরও পড়ুন :কারা ভোট দিতে পারবেন? অনলাইনে ভোটার তালিকা দিল কমিশন, দেখে নিন

এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার অভিযোগ করেন, “বাংলার কৃষ্টি ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হানতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর পিছনের রয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য।” অন্যদিকে বিজেপির তরফে দেবজিৎ সরকার দাবি করেন, “এ নির্দেশ আদালতের। এর সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে বিষয়টি অন্যভাবে দেখাচ্ছে”। কমিশনের স্পষ্ট ব্যাখ্যার পর পরিস্থিতি কিছুটা পরিষ্কার হলেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা এখনও থামেনি।