বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রোজ হাওড়া স্টেশন (Howrah Station) দিয়ে যাতায়াত করেন হাজার হাজার মানুষ। সেই কারণে প্রায় সারাদিনই এই স্টেশন চত্বরে যাত্রীদের আনাগোনা লেগে থাকে। বাস, ট্যাক্সির ভিড়ও থাকে চোখে পড়ার মতো। এবার সেই হাওড়া বাসস্ট্যান্ড (Howrah Bus Stand) চত্বরের ভোলবদলের পরিকল্পনা করা হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে স্কাইওয়াক, শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স সহ একগুচ্ছ প্ল্যান করা হয়েছে।
নবরূপে সাজিয়ে তোলা হবে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড চত্বর | (Howrah Bus Stand)
হাওড়া বাসস্ট্যান্ড চত্বরের নোংরা-আবর্জনাময় পরিবেশের কারণে বহু যাত্রীর সমস্যা হয়। কোথাও জল জমে থাকে, কোথাও আবার পড়ে থাকে আবর্জনা। তবে সেই সমস্যা শীঘ্রই দূর হতে চলেছে। পুরসভা, প্রশাসনের তরফে ওই চত্বরের আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পুজোর মাসে ডাবল লক্ষ্মীলাভ! রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন নিয়ে বড় আপডেট
পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমেই হাওড়া বাসস্ট্যান্ড একেবারে নতুন রূপে তৈরি করা হবে। স্টেশনের বাইরে নির্মিত হবে ১২-১৩ তলার একটি ভবন। সেই ভবনের নীচের তলায় বাসস্ট্যান্ড হবে। তার উপরের তলায় চারচাকা ও দু’চাকা গাড়ি রাখা যাবে। এমনকি ওখানেই ট্যাক্সি স্ট্যান্ড ও পার্কিং জোনও থাকবে।
ওই একই ভবনের মধ্যে ফুড কোর্ট, শপিং মল রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি উপরের তলায় থাকবে মাল্টিপ্লেক্স। এছাড়া যাত্রীদের সুবিধার জন্য বাসস্ট্যান্ড থেকে স্টেশন অবধি তৈরি করা হবে স্কাইওয়াক এবং স্টেশন থেকে ফেরিঘাট যাওয়ার সাবওয়েও নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হবে।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সম্পূর্ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রায় ২৫ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। কেএমডিএ, রেল, পুরসভা ও প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই কাজ হবে। পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে স্টেশন থেকে ফেরিঘাট ও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় যাতায়াত আরও সুবিধাজনক হয়ে যাবে।

রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই জানিয়েছেন, এখন প্রধান লক্ষ্য হল, যাত্রীদের আরও ভালোভাবে পরিষেবা দিতে নানা দফতরের সমন্বয়ে উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
এদিকে বর্তমানে হাওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে হাওড়া স্টেশন অবধি যাওয়ার জন্য যাত্রীদের ভরসা হয় রাস্তা, নাহলে সাবওয়ে। তবে স্কাইওয়াক চালু হলে তাঁরা সহজেই বাস থেকে নেমে স্টেশন চলে যেতে পারবেন। এতে তাঁদের অনেকখানি সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।













