বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের মুখে ফের বড়সড় রদবদল রাজ্য পুলিশের শীর্ষ স্তরে। প্রথম দফার ভোটের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি, তার আগেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কলকাতা, হাওড়া ও বিধাননগর, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার পুলিশ প্রশাসনে এই পরিবর্তন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। মূলত নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলি কমিশনের (Election Commission)
ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে নিরপেক্ষ ও নিয়ন্ত্রিত থাকে, সেই লক্ষ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই তালিকায় রয়েছেন পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। আইপিএস সোমা দাস, যিনি এতদিন ডিআইজি সিআইডি পদে ছিলেন, তাঁকে কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার (ক্রাইম) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইভাবে ডিআইজি পার্সোনেল সুদীপ সরকারকে এনে বসানো হয়েছে জয়েন্ট সিপি (হেড কোয়ার্টার) পদে। এসটিএফ-এর ডিআইজি দেবাশিস দাসকে পাঠানো হয়েছে জয়েন্ট সিপি (ইন্টেলিজেন্স) হিসেবে।
এছাড়াও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বদলি হয়েছে বিভিন্ন ডিভিশনে। এনফোর্সমেন্ট ব্র্যাঞ্চের স্পেশাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ভিএসআর অনন্তনাগ এখন কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার। আইবি-র স্পেশাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট প্রদীপকুমার যাদব দায়িত্ব নিচ্ছেন নর্থ ডিভিশনের ডিসি হিসেবে। ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সাউথ ইস্ট ডিভিশনে। অন্যদিকে, কাউন্টার ইন্সার্জেন্সি ফোর্সের এসপি প্রশান্ত চৌধুরীকে ইস্ট ডিভিশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিধাননগরের ডিসি ডিডি মণীশ যোশীকে পাঠানো হয়েছে ভাঙড় ডিভিশনে। হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি আনন্দজিৎ হোর এখন বেলডাঙার এসডিপিও। এছাড়া এসটিএফের এসপি ইন্দ্রজিৎ সরকারকে চন্দননগর কমিশনারেটে ডিসি (হেডকোয়ার্টার) করা হয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুরের ডিসি রানা মুখোপাধ্যায়কে শিলিগুড়ি ইস্টে পাঠানো হয়েছে। আর বিধাননগর থানার অ্যাডিশনাল ডিসি ডিডি চন্দন ঘোষকে সুন্দরবন পুলিশ জেলার অ্যাডিশনাল পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শেষ মুহূর্তে বড় ধাক্কা! ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন ধরিয়ে ইস্তফা দিলেন এই দাপুটে নেতা
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না কমিশন (Election Commission)।













