শেষ মুহূর্তে কড়া নির্দেশিকা! কমিশনের কোন কথায় চাপে রাজ্য পুলিশ?

Published on:

Published on:

Election Commission bringing 3000 police from other states to Bengal for voting
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের দিন যাতে কোনও গোলমাল না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে এবার একেবারে কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এত বাহিনী মোতায়েন থাকলেও যদি কোথাও অশান্তি হয়, তাহলে দায় এড়াতে পারবে না রাজ্যের পুলিশ। সরাসরি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নিজের এলাকায় সমস্যা হলে চাকরি পর্যন্ত যেতে পারে।

রাজ্য পুলিশকে কী বার্তা কমিশনের (Election Commission)?

ভোটের আগে রাজ্যের পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে নিজ নিজ এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট করানোই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। কোথাও গোলমাল হলে তার জন্য সরাসরি দায় নিতে হবে আইসি ও ওসিদের। এমনকি পরিস্থিতি গুরুতর হলে চাকরি খোয়ানোর মতো কড়া পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।

শুধু থানার আধিকারিকদের নয়, এই দায়িত্ব থাকবে পুলিশ সুপার ও কমিশনারদের উপরেও। অর্থাৎ উপরের স্তর থেকে নিচ পর্যন্ত সবাই নজরে রয়েছে কমিশনের (Election Commission)। সূত্রের খবর, প্রশাসনিক বৈঠকে জানানো হয়েছে ভোটের দিন যদি কোথাও অস্ত্র, বোমা বা গুলি উদ্ধার হয়, তাহলে কোনওভাবেই বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া হবে না। সঙ্গে সঙ্গে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোনও অভিযোগ এলে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেটাকে গাফিলতি হিসেবে ধরা হবে বলে জানানো হয়েছে। এক্ষেত্রে শাস্তির ব্যবস্থাও পরিষ্কার। প্রথমে সাসপেনশন, তারপর বিভাগীয় তদন্ত ও শোকজ। তাতেও সন্তোষজনক উত্তর না মিললে এফআইআর দায়ের থেকে চাকরি খোয়ানো পর্যন্ত হতে পারে। শুধু সংশ্লিষ্ট অফিসার নন, তাঁর ঊর্ধ্বতনরাও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারেন।

এছাড়া, যাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই পরোয়ানা রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারির অগ্রগতি নিয়েও থানাগুলির কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের তিন দিন আগে তাদের সবাইকে পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দিতে হবে। তারা ভোটের কাজে যুক্ত থাকতে পারবে না। তবে সাধারণ কাজ করতে পারবে এবং ভোট দিতে পারবে, কিন্তু ইউনিফর্ম পরে নয়।

Election Commission of India warned police officers about violating law in election

আরও পড়ুনঃ হলফনামায় ত্রুটির অভিযোগ! অদিতি মুন্সি মামলায় কমিশনের রিপোর্ট চাইল হাই কোর্ট

এদিকে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্যও নতুন নিয়ম আনা হয়েছে। বুথে যাওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত ট্রেনিংয়ের পর তাদের একটি মুচলেকা দিতে হবে। কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে ভোটের পুরো দায় কি তাদের উপরেই চাপানো হচ্ছে কিনা টা নিয়ে।