বাংলাহান্ট ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেডে সভার দিন গিরিশ পার্কে ঘটে যাওয়া ঘটনায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী তলব করা হয়নি? অসন্তোষ প্রকাশ করে পুলিশ কমিশনারের কাছে ফের রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। গত সপ্তাহে শনিবার রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ছিল তাঁর মেগা জনসভা। এদিকে সেদিনই আচমকা অশান্তির ঘটনা ঘটে গিরিশ পার্কে। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ। এমনকি আহতও হন মন্ত্রী। এই ঘটনাতেই এবার আবারও রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কমিশন।
পুলিশের কাছে ফের রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই ঘটনার পুলিশি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কত এফআইআর হল এবং কতজন গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, আগাম সতর্কতার ব্যবস্থা কি ছিল? প্রায় এক ঘন্টা ধরে অশান্তির পরিস্থিতি চললেও কেন ডাকা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে? এর কোনও উল্লেখ করা হয়নি। তাই আবারও রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

আলোচনায় বসেছে কমিশন: নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের সময় প্রতি দফায় প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেছে কমিশন (Election Commission)। কোথায় কত কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে, শান্তিপূর্ণ ভোট করানোর জন্য কত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত বাড়ল এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন : কাঁচা মাছ-মাংস থেকে চারাগাছ, এই সমস্ত জিনিস নিয়ে মেট্রোয় উঠলেই জরিমানা! জারি কড়া নিষেধাজ্ঞা
অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি: উল্লেখ্য, নির্বাচন সময় আদর্শ আচরণবিধি ভাঙা থেকে লক্ষ লক্ষ অভিযোগ জমা পড়েছে সিইও দফতরে। ওই সমস্ত অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তির জন্য সচিব পদ মর্যাদার আধিকারিক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর।
আরও পড়ুন : দু বছর পরেও অধরা বিচার, মেয়ের জন্য এবার বিজেপির হাত ধরে পানিহাটিতে লড়বেন ‘অভয়া’র মা!
সূত্রের খবর অনুযায়ী, আপাতত ৯ জন আধিকারিক নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে ৬ জন মাইক্রো অবজারভার থাকবেন এবং নবান্নের কাছে ৩-৪ জন আধিকারিক চাওয়া হবে বলে খবর। এছাড়াও একটি অভিযোগ সেলও গঠন করা হবে।












