বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের সময় এলেই ইডিকে (Enforcement Directorate) নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বাড়ে। বিরোধীরা প্রায়ই অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে অপব্যবহার করা হচ্ছে। আবার জিজ্ঞাসাবাদের নোটিস পাঠানো নিয়ে আদালতে একাধিকবার ধাক্কাও খেতে হয়েছে ইডিকে। এই পরিস্থিতিতেই পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে বড় নির্দেশ দিল সংস্থা।
কী নির্দেশ দিল ইডি (Enforcement Directorate)?
গুয়াহাটিতে ইডির (Enforcement Directorate) ত্রৈমাসিক সম্মেলনে সংস্থার প্রধান রাহুল নবীন (Rahul Navin) আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে এই নির্দেশ জারি করেন। আদালতে তলবের নোটিস নিয়ে একের পর এক ধাক্কার প্রেক্ষিতেই এই সতর্কবার্তা বলে জানা গিয়েছে।
ইডি ডিরেক্টর স্পষ্ট করে বলেছেন, যে কোনও মামলায় নোটিস পাঠানোর আগে আইনি দিক, প্রমাণ এবং প্রয়োজনীয়তা ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। হঠকারী সিদ্ধান্ত যেন না নেওয়া হয়, সেই দিকেই জোর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও তদন্তে দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বহু মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকায় সংস্থার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্বীকার করা হয়েছে। এই সুযোগে একাধিক হেভিওয়েট নেতা জামিন পেয়েছেন। আদালত থেকেও ইডির (Enforcement Directorate) কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এই প্রেক্ষিতে বড় টার্গেট ঠিক করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে মোট ৫০০টি তদন্তাধীন মামলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। নতুন মামলাগুলিও এক থেকে দুই বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ দেশজুড়ে মাওবাদ নির্মূলে কাউন্টডাউন শুরু, ৩১ মার্চের লক্ষ্য স্থির করলেন অমিত শাহ
তবে কাজের পথে কিছু সমস্যার কথাও উঠে এসেছে। স্থানীয় পুলিশের অসহযোগিতা, পর্যাপ্ত আধিকারিকের অভাব এবং পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতা ইডির দৈনন্দিন কাজকে কঠিন করে তুলছে বলে জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, কয়েক মাস আগেই একটি বিভাগীয় সার্কুলারে বলা হয়েছিল, ইডি (Enforcement Directorate) ডিরেক্টরের অনুমতি ছাড়া কোনও আইনজীবীকে তলব করা যাবে না। এবার সেই সতর্কতার বার্তাই আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হল। ভোটের মুখে এই নির্দেশ কতটা প্রভাব ফেলবে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।












