বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ মেক্সিকো (Mexico) বনাম ইংল্যান্ড (England) ম্যাচ যে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূৰ্ণ হবে, তা অনেকেই আন্দাজ করেছিলেন। কিন্তু ম্যাচটি যে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ম্যাচ হয়ে দাঁড়াবে তা অনেকেই আন্দাজ করতে পারেননি। শেষপর্যন্ত ১০ জনে হয়ে গিয়েও জুড বেলিংহ্যামের (Jude Bellingham) জোড়া গোল এবং অধিনায়ক হ্যারি কেনের (Harry Kane) পেনাল্টিতে ভর করে আয়োজক মেক্সিকোকে ছিটকে দিয়ে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছলো ইংল্যান্ড।
এদিন আবহাওয়ার কারণে ইংল্যান্ড ও মেক্সিকোর ম্যাচ এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়। ভারতীয় সময় সকাল ৫.৩০ নাগাদ ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ৬.৩০ নাগাদ শুরু হয় ম্যাচ। এরপর ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩৬ ও ৩৮ মিনিট নাগাদ জোড়া গোল করে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে অনেকটা এগিয়ে দেন তারকা মিডফিল্ডার বেলিংহ্যাম।
আরও পড়ুন: বিশ্বরেকর্ড গড়ে পর্তুগালকে জিতিয়েও চোখে জল রোনাল্ডোর! কেন? শুনলে মন ভাঙবে
কিন্ত পিছিয়ে গিয়েও দমে যায়নি মেক্সিকো। ম্যাচের ৪২ মিনিটে কুইনোনেসের গোলে ব্যবধান কমায় আয়োজকরা। এরপর প্রথমার্ধ শেষ হয়। কিন্তু নাটকের শেষ তখনো হয়নি। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে বিশ্ৰী ট্যাকেল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ইংলিশ ডিফেন্ডার জ্যারেল কোয়ানসা-কে।
কিন্তু তারপরেও লড়াই ছাড়েনি ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের ভেতরে অ্যান্টনী গর্ডনকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। টুর্নামেন্টে নিজের ষষ্ঠ গোল করে ফের ইংল্যান্ডের হয়ে ব্যবধান বাড়ান অধিনায়ক হ্যারি কেন। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি, হাল্যান্ডদের ঠিক পেছনেই রয়েছেন তিনি। কিন্তু তার ঠিক ১০ মিনিটের মধ্যে সেই হ্যারি কেনের করা ফাউলেই পেনাল্টি উপহার পায় মেক্সিকো।
আরও পড়ুন: এক হয়ে গেলেন এর্লিং হাল্যান্ড ও মারাদোনা! ৩৬ বছরের পুরোনো ক্ষত নিয়ে বিশ্বকাপ ছাড়লো ব্রাজিল
যদিও সেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় অনেক ফুটবল প্রেমীদের মনেই। কিন্তু দলকে গোল এনে দিতে ভুল করেননি অভিজ্ঞ মেক্সিকান স্ট্রাইকার রাউল গিমিনেজ। কিন্তু তারপর অনেক চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি আয়োজকরা। শেষপর্যন্ত ২-৩ ফলে ম্যাচ জিতে নেয় ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। জোড়া গোল করে ম্যাচের সেরা বেলিংহ্যাম। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানো এর্লিং হ্যাল্যান্ডের মুখোমুখি হ্যারি কেনরা।













