হয়ে যান সতর্ক! হাইওয়ে-তে এই ভুল করলেই হবে দ্বিগুণ জরিমানা, লাগু কঠোর নিয়ম

Published on:

Published on:

Failure to comply this FASTag Rule will result in double penalty.
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: আপনি কী নিয়মিত জাতীয় সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন? যদি এমনটা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এই প্রতিবেদনটি নিঃসন্দেহে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে। মূলত, সরকার এবার FASTag-এর ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম চালু (FASTag Rule) করেছে। এখন, কোনও কারণে টোল প্লাজায় FASTag-এর মাধ্যমে অর্থ প্রদান সম্ভব না হলে, গাড়ির মালিককে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায়, তাঁকে দ্বিগুণ জরিমানা দিতে হবে।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করা হলে দ্বিগুণ টোল (FASTag Rule) আদায় করা হবে:

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও যানবাহণ টোল পরিশোধ না করে বেরিয়ার-ফ্রি টোল প্লাজা অতিক্রম করে সেক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া পরিশোধ না করলে দ্বিগুণ টোল দিতে হবে। এর মানে হল, সময়মতো অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে, সুতরাং মূল টোলের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করতে হবে।

Failure to comply this FASTag Rule will result in double penalty.

এই নতুন নিয়ম কেন চালু করা হল: মূলত, টোল পরিশোধ না করে যাতে কেউ পার হতে না পারে, তা প্রতিরোধ করতে এবং ডিজিটাল টোল ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ন্যাশনাল হাইওয়ে ফিস নিয়মে একটি সংশোধনীর অংশ হিসেবে এই পরিবর্তনটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

টোল এজেন্সিগুলির দায়িত্বও নির্ধারণ করা হয়েছে: এদিকে, শুধু গাড়ির চালকদেরই নয়, বরং টোল এজেন্সিগুলিরও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি কোনও টোল এজেন্সি ৫ দিনের মধ্যে গ্রাহকের অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে বকেয়া টোলের দাবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এর মানে হল, যদি এজেন্সির দোষ থাকে এবং সময়মতো বিষয়টি সমাধান না করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক প্রতিকার পেতে পারেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ৯০০ গোল! রোনাল্ডোর চেয়ে কম ম্যাচ খেলেও বাজিমাত মেসির

আনপেইড ইউজার ফি: সংশোধিত নিয়মাবলীতে আনপেইড ইউজার ফি’-র সুস্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মূলত, এটি হল সেই টোল যা ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থা দ্বারা যানবাহনের চলাচল নিশ্চিত করা সত্ত্বেও আদায় করা হয় না; সেটিই হল এই ফি। এইসব ক্ষেত্রে, রেজিস্ট্রার্ড গাড়ির মালিকদের কাছে একটি ইলেকট্রনিক নোটিশ পাঠানো হবে, যাতে গাড়ির বিবরণ, টোল পারাপারের তারিখ ও স্থান এবং প্রদেয় টাকার পরিমাণ উল্লেখ থাকবে।

আরও পড়ুন: এবার এই বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত-পাকিস্তান! কোথায় হবে ম্যাচ?

FASTag ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: এই নোটিশ এসএমএস থেকে শুরু করে ইমেইল, একটি মোবাইল অ্যাপ এবং একটি নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে পাঠানো হবে। এছাড়াও, জাতীয় ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থাটি ‘বাহন’ নামক যানবাহন ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। যাতে টোল বকেয়া থাকা যানবাহনগুলি সহজে শনাক্ত করা যায়। এমতাবস্থায়, FASTag-এ সর্বদা পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখতে হবে। এছাড়াও, ট্রানজাকশন অ্যালার্ট চেক করতে হবে। কোনও সমস্যা হলে, অবিলম্বে অভিযোগ দায়ের করুন এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করুন। সার্বিকভাবে, টোল আদায়কে স্বচ্ছ ও কঠোর করার জন্য সরকার নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন করেছে। এর মাধ্যমে যেমন নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তেমনই প্রকৃত ব্যবহারকারীরাও স্বস্তি পাবেন।