রেশনে চাল-আটার সঙ্গে এবার বিনামূল্যে চিনি-ময়দা, পুজোর আগে গ্রাহকদের বড় উপহার

Published on:

Published on:

Free sugar and refined flour for puja ration
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : পুজোর মুখে রেশন (Ration) গ্রাহকদের জন্য বাড়তি সুবিধার ঘোষণা। নিয়মিত খাদ্যশস্যের পাশাপাশি এবার উৎসবের মরশুমে বিনামূল্যে চিনি ও ময়দা দেওয়ার কথা জানাল রাজ্য সরকার। খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার ঘোষণা অনুযায়ী, এই অতিরিক্ত সুবিধা শুধু দুর্গাপুজোতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎসবের মরশুম চলাকালীন নভেম্বর মাসে কালীপুজো পর্যন্ত রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সামগ্রী দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এবার রেশনে (Ration) বিনামূল্যে ময়দা-চিনি

পুজো মানেই বাড়িতে মিষ্টি তৈরি, নানা ধরনের রান্না এবং অতিথি আপ্যায়ন। ফলে এই সময়ে চিনি ও ময়দার চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত এই দুই খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বাজারদরের চাপের মধ্যে রেশন থেকে বিনামূল্যে এই সামগ্রী পেলে উপভোক্তাদের কিছুটা সাশ্রয় হতে পারে।

তবে কোন রেশন কার্ডে কতটা চিনি এবং কতটা ময়দা দেওয়া হবে, সেই হিসাব এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কার্ডের শ্রেণি অনুযায়ী বরাদ্দ নির্ধারণ করা হবে। এই বিষয়ে খুব শীঘ্রই খাদ্য দফতরের তরফে বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে রেশন কার্ডের ধরন অনুযায়ী খাদ্যশস্য পাওয়ার পরিমাণ আলাদা। অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা বা AAY কার্ডে পরিবারপিছু ২১ কেজি চাল এবং ১৪ কেজি গম দেওয়া হয়। গমের পরিবর্তে ফর্টিফায়েড আটা নিলে তার পরিমাণ ১৩.৩ কেজি।

PHH এবং SPHH কার্ডের ক্ষেত্রে মাথাপিছু ৩ কেজি চালের সঙ্গে ২ কেজি গম অথবা ১.৯ কেজি ফর্টিফায়েড আটা পাওয়ার নিয়ম রয়েছে। RKSY-I কার্ডধারীরা মাথাপিছু ৫ কেজি চাল পান। আর RKSY-II কার্ডের ক্ষেত্রে মাথাপিছু চালের বরাদ্দ ২ কেজি। এই নিয়মিত বরাদ্দের বাইরে এবার উৎসব উপলক্ষে চিনি ও ময়দা দেওয়ার প্রস্তাব সামনে এসেছে। তবে অতিরিক্ত সামগ্রীর পরিমাণ নির্ধারণের আগে আরও এক দফা আলোচনা হতে পারে খাদ্য দফতরে। কোন শ্রেণির কার্ডে কী পরিমাণে এই সুবিধা দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্তের পরই প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত নির্দেশিকা।

Free sugar and refined flour for puja ration

আরও পড়ুন :চলতি বছরেও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাবেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প! নেপথ্যে কোন কারণ?

পুজোর আগে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে চাপ থাকে। তার মধ্যে চিনি ও ময়দার মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী রেশন থেকে বিনামূল্যে পাওয়ার ঘোষণা তাই উৎসবের আগে বাড়তি স্বস্তির বার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।