বিরোধিতা করলে বন্ধ হবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা! শওকত মোল্লার মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

Published on:

Published on:

Government benefits will be stopped if oppose government! Saokat Molla's comment sparks new controversy
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভাঙরে আবার শুরু হলো নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা। রবিবার ক্যানিং পূর্বের(Canning Purba) তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার সভা ছিল। সেই সভাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক চর্চা। ১৫ ফেব্রুয়ারি পাগলাহাট থেকে ঘটকপুকুর পর্যন্ত তৃণমূলের ঘোষিত মহা মিছিলের প্রস্তুতি হিসেবে ভাঙড় এক নম্বর ব্লকের প্রাণগঞ্জ অঞ্চলে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানের মঞ্চ থেকে এই মন্তব্য করেন শওকত মোল্লা(Saokat Molla)।

শওকত মোল্লার ((Saokat Molla) মন্তব্যে নতুন বিতর্ক

শওকত মোল্লা বলেন গত লোকসভা নির্বাচনের পর ভাঙরের কয়েকটি জায়গায় রাজনৈতিক পরিবেশ বদলে গেছে। তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন বিরোধীদের কারণেই সরকারি প্রকল্পের সমস্ত সুবিধা আটকে যাচ্ছে। তিনি বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভাঙড়ে যারা শাসক দলের বিরোধিতা করবেন, ভবিষ্যতে সরকারি পরিষেবা পেতে তাদের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।’

এ ব্যাপারে ভাঙর-২ ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিককে জিজ্ঞেস করা হলে, তিনি স্পষ্ট জানান নির্দিষ্ট কোন অঞ্চল ভিত্তিক প্রকল্পের অর্থ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়ে তার কাছে কোন সরকারি নির্দেশ বা তথ্য নেই। অন্যদিকে এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা। আইএসএফ-এর জেলা সভাপতি আব্দুল মালেক এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার হুমকি গণতন্ত্র বিরোধী’।

আরও পড়ুন:সৈন্যশক্তির নিরিখে পাকিস্তানের অবনতি! কোথায় দাঁড়িয়ে চিন-ভারত? প্রকাশিত হল তালিকা

শওকত মোল্লার এই মন্তব্যে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। দলীয় সভার মঞ্চ থেকে এভাবে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার ইঙ্গিতকে সাধারণ মানুষ ভালো ভাবে নিচ্ছে না। ১৫ ফেব্রুয়ারি পাগলাহাট থেকে ঘটকপুকুর পর্যন্ত শাসক দলের মহা মিছিল রয়েছে। তাই আয়োজন করা হয়েছিল এই কর্মী সমাবেশের।

আরও পড়ুন:ব্যক্তি মমতা কি নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন? আজ সুপ্রিম কোর্টে বড় শুনানি

Government benefits will be stopped if oppose government! Saokat Molla's comment sparks new controversy

শওকত মোল্লার বক্তব্য নিয়ে তুমুল রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ দলীয় সভা থেকে এইভাবে সরকারি কাজ বন্ধের হুমকি দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। দেখা যাক এখন তৃণমূল নেতৃত্ব এ ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নেয়। এখনও পর্যন্ত কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূল বিধায়কের এইরকম মন্তব্যে দল যে অস্বস্তিতে থাকবে, তা বলা বাহুল্য।