যাঁরা যুবসাথীতে আবেদন করেও টাকা পাননি তারা কবে পাবেন অনুদান? জানালেন মমতা

Published on:

Published on:

Yuvasathi Scheme
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটমুখী রাজ্যে চর্চায় রাজ্য সরকারের নয়া প্রকল্প যুবসাথী। ফেব্রুয়ারী মাসে ঘোষণার পর মার্চ থেকেউ যুবসাথীর (Yuvasathi Scheme) আওতায় টাকা পেতে শুরু করেছেন যোগ্য প্রার্থীরা। প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে পাঁচ বছর পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার দুপুরে সূতির ছাপঘাটি কেডি হাইস্কুল মাঠের জনসভা থেকে জনপ্রিয় এই প্রকল্প নিয়ে ফের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

যুবসাথীর নিয়ে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর | Yuvasathi Scheme

মমতা বলেন, ‘যুবসাথী ভাইবোনদের এটা হাত খরচ। এর জন্য কারও কাছে হাত পাতার দরকার নেই।’ পাশাপাশি প্রসেসিংয়ের কাজ চলছে, যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরা শীঘ্রই টাকা পাবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সূতির সভা থেকে যুব ভাইবোনদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, এটা হাত খরচের জন্য দেওয়া। সাথেই আগামী দিনে তাদের কর্মসংস্থানেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। এমন অনেকে আছেন যাঁরা এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন কিন্তু টাকা এখনও পাননি। তাঁদের উদ্দেশে মমতা বলেন, ভোটের কারণে কাজকর্ম কিছুটা স্লথ গতিতে চলছে। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। শীঘ্রই তাঁদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।

যুবসাথীতে আবেদনকারীরা সকলে সরকারি অনুদান পাবেন বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের টাকা ঢোকা শুরু হয়ে যায় উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে পাঁচ বছর পর্যন্ত। বেকারভাতার আওতায় ২১ থেকে ৪০ পর্যন্ত রাজ্যের বেকার যুবক যুবতীদের দেওয়া হচ্ছে মাসিক ১৫০০ টাকা। যারা স্কলারশিপ পায় তারাও এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য।

পূর্বে ইস্তাহার প্রকাশের সময় মমতা বলেছিলেন” আমাদের অঙ্গীকারের মধ্যে আমরা সবার জন্য যুব সাথী প্রকল্প নিয়ে ভেবেছি। প্রায় এক কোটি যুবকদের, অর্থাৎ যাদের বয়স ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে, তাদের ১৫০০ করে দিচ্ছি।”

Yuva Sathi delay in receiving money what is the problem

আরও পড়ুন: সোনার দামে বড় ধাক্কা নাকি স্বস্তি? সপ্তাহান্তে বাজারে ২২ ও ২৪ ক্যারেট হলুদ ধাতুর দর কত জানুন

যুবসাথী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ‘এই টাকাটা বেকার ভাতা হিসেবে নয়, এই টাকাটা হাত খরচের জন্য দেব আমরা, যতদিন না সে চাকরি পাচ্ছে। তার মধ্যেই সে কর্মসংস্থান পেয়ে যাবে।”